দুর্গাপুজোয় আমিষ বিতর্ক নিয়ে চলছে জোর বিতর্ক। তবে বাংলার বুকে এমন কিছু দুর্গাপুজো রয়েছে যেখানে বছরের পর বছর ধরে আমিষ ভোগ দেবীকে নিবেদন করা হয়। দুর্গাপুজোয় আমিষ বিতর্ক নিয়ে চলছে জোর বিতর্ক। তবে বাংলার বুকে এমন কিছু দুর্গাপুজো রয়েছে যেখানে বছরের পর বছর ধরে আমিষ ভোগ দেবীকে নিবেদন করা হয়। তার মধ্যে অন্যতম খিদিরপুরের খণ্ডরুই রাজবাড়ির পুজো। এখানে দেবীর ভোগে থাকে ইলিশ ও চিংড়ি মাছ। অসুরকে দেওয়া হয় সুরা। বছরের পর বছর ধরে আজও অটুট ঐতিহ্য। একসময় গমগম করত রাজবাড়ি। পুজোর ভিড় জমাতেন অগুনতি মানুষ। তবে সেসব পুরনো দিনের কথা। রাজপাট চুকেছে সেই কবে। রাজাও নেই। রেলশহর খড়গপুরের শতাব্দী প্রাচীন এই রাজবাড়ি যেন এখন ‘দুয়োরানি’। জেলার পর্যটন মানচিত্রেও স্থান পায়নি রাজবাড়ি। উদাসীনতার কারণে রাজবাড়ির ঐতিহ্য যেন অতীত হতে বসেছিল। তবে সাধারণ মানুষের তৎপরতায় তৈরি ‘খণ্ডরুই অজয় সিংহ গজেন্দ্র মহাপাত্র চ্যারিটেবল ট্রাস্টে’র তৎপরতায় যেন নবজীবন ফিরে পেয়েছে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া রাজবাড়ি। দুর্গাপুজোয় আমিষ বিতর্ক নিয়ে চলছে জোর বিতর্ক। তবে বাংলার বুকে এমন কিছু দুর্গাপুজো রয়েছে যেখানে বছরের পর বছর ধরে আমিষ ভোগ দেবীকে নিবেদন করা হয়। তার মধ্যে অন্যতম খিদিরপুরের খণ্ডরুই রাজবাড়ির পুজো। এখানে দেবীর ভোগে থাকে ইলিশ ও চিংড়ি মাছ। অসুরকে দেওয়া হয় সুরা। বছরের পর বছর ধরে আজও অটুট ঐতিহ্য। সাধারণ মানুষের তৎপরতায় তৈরি ‘খণ্ডরুই অজয় সিংহ গজেন্দ্র মহাপাত্র চ্যারিটেবল ট্রাস্টে’র তৎপরতায় যেন নবজীবন ফিরে পেয়েছে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া রাজবাড়ি।



