Saturday, July 25, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

দিল্লি যাচ্ছেন না তৃণমূল নেত্রী!‌ ‘সমর্থন ও পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ’, মমতাকে ফোন দীপকের

RK NEWZ সরকারের তরফে সব দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে, এবং আন্দোলনও শেষ করার ঘোষণা করেছে সিজেপি, তাই আর দিল্লি যাচ্ছেন না বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। শিক্ষামন্ত্রী ইস্তফা দিয়েছেন। পড়ুয়াদের সকল দাবি দ্বিধাহীনভাবে মেনে নিয়েছে সরকার। এই অবস্থায় আন্দোলনকে সমর্থনের জন্য তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করে ধন্যবাদ জানালেন ককরোচ পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। যেহেতু সরকারের তরফে সব দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে, এবং আন্দোলনও শেষ করার ঘোষণা করেছে সিজেপি, তাই আর দিল্লি যাচ্ছেন না বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সরকার পক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও দাবি দাওয়া মান্যতা পাওয়ার পর বিক্ষোভে ইতি টানার ঘোষণা করে সিজেপি। তৃণমূল সূত্রের খবর, এর ঠিক পর রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে তৃণমূল নেত্রীকে ফোন করেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। ৩ মিনিটের এই ফোনালাপে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানান। ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়ে আন্দোলনকে সমর্থন ও পরামর্শের জন্য কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করেন। অন্যদিকে, তৃণমূল নেত্রীও এই আন্দোলনের জন্য সংহতি জানান ছাত্রনেতাদের। পাশাপাশি ছাত্রদের পাশে দাঁড়াতে সোমবার দিল্লি যাওয়ার ঘোষণা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের তরফে জানা যাচ্ছে, আপাতত সেই সফরে যাচ্ছেন না তৃণমূল নেত্রী। দিল্লিতে যখন ছাত্রদের আন্দোলনে পুলিশি অ্যাকশন চলছে, ঠিক সেসময় তৃণমূলনেত্রী জাতীয় স্তরের ওই আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেছিলেন, তিনিও দরকারে ‘ককরোচ পার্টি’র আন্দোলনে শামিল হবেন। গত মঙ্গলবার, একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকেই তৃণমূলনেত্রী জানিয়েছিলেন, প্রয়োজনে তিনি দিল্লি গিয়ে ককরোচ পার্টির সঙ্গে যোগ দেবেন। সেইমতো আগামী সোমবার দিল্লি গিয়ে ‘আরশোলা’দের আন্দোলনে যোগ দেওয়ার ঘোষণা করেন মমতা। তবে তার আগেই রাশ পড়েছে এই আন্দোলনে। ব্যাপক বিতর্কের জেরে শনিবার সকালে ধর্মেন্দ্র প্রধান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তাঁর ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। পাশাপাশি সোশাল মিডিয়ায় প্রধান লেখেন, “দেশের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ, উন্নত ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থাই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিজের দায়িত্ব থেকে কোনও সময় মুখ ফিরিয়ে নিইনি। প্রথম দিন থেকে নিটে প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়েছি, কোনওসময় মুখ লুকোয়নি।” তাঁর দাবি, “ছাত্র আন্দোলনের নামে কিছু দেশবিরোধী কুচক্রী ষড়যন্ত্র করছে। সেই কুচক্রীরা যাতে কোনওভাবেই পরিস্থিতির সুবিধা তুলতে না পারে, সেজন্যই আমার ইস্তফা। আমার এই পদত্যাগপত্র দেশের জন্য।” শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পর পড়ুয়াদের বাকি দুই দাবি, ছাত্রদের উপর থেকে সব মামলা প্রত্যাহার ও আত্মহত্যা করা ছাত্রদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের দাবিও মেনে নেওয়া হয়। আন্দোলন প্রত্যাহারের পর আপাতত দিল্লি সফর স্থগিত করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles