RK NEWZ নতুন করে রক্ষাকবচ চেয়ে হাই কোর্টে অভিষেক। সার্বিক ভাবে এখনই কোনও অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেওয়া যাবে না অভিষেককে! বললেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। অভিষেকের নামে ৮টি এফআইআর দায়ের হয়েছে। ওই মামলায় রক্ষাকবচ চেয়ে হাই কোর্টে তিনি মামলা করেন। তাঁর আইনজীবী কপিল সিব্বলের সওয়াল, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে মামলা করা হচ্ছে। রাজ্যে পালাবদলের পরে একের পর এক এফআইআর দায়ের হচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি রাজ্যের বিভিন্ন থানায় তাঁর বিরুদ্ধে আরও ৮টি এফআইআর দায়ের হয়। এই সব মামলায় একত্রে রক্ষাকবচ চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক। বৃহস্পতিবার তাঁর আর্জি মৌখিক ভাবে খারিজ করে বিচারপতির মন্তব্য, এ ভাবে সব মামলা একত্রিত করে সার্বিক ভাবে রক্ষাকবচ দেওয়া সম্ভব নয়। বৃহস্পতিবার মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। তার মধ্যে অভিষেকের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হলে বিষয়টি আদালতের গোচরে আনা যাবে বলে জানিয়েছেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। অভিষেকের আইনজীবী কপিল সিব্বল এ দিন আদালতে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই তাঁর মক্কলের বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে। ভবানীপুর, শিলিগুড়ি, নাকাশিপাড়া, বিষ্ণুপুর-সহ একাধিক থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিষেকের জন্য ওই সমস্ত মামলায় রক্ষাকবচের আর্জি জানান তিনি। সিব্বলের সওয়াল শুনে বিচারপতি বলেন, ‘‘একসঙ্গে সব মামলায় রক্ষাকবচ দেওয়া সম্ভব নয়। প্রতিটি ভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়েছে। একসঙ্গে সব মামলা জুড়ে রক্ষাকবচ চাইছেন কী ভাবে? এটা সম্ভব নয়।’’ সিব্বলের সওয়াল, এর আগে একাধিক এফআইআর দায়ের হওয়ায় শুভেন্দু অধিকারীকে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছিল। এমনকি ভবিষ্যতে আদালতের অনুমতি ছাড়া মামলা দায়ের করা যাবে না— সেই নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। রাজ্যের আইনজীবী পাল্টা যুক্তি দেন, সেটি অন্তর্বর্তী নির্দেশ ছিল। রক্ষাকবচ নিয়ে সিব্বল যখন শুভেন্দুর প্রসঙ্গ টানেন, বিচারপতি ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘শুভেন্দু অধিকারীর উদাহরণ দেবেন না। সব পক্ষের বক্তব্য না শুনে আদালত কোনও নির্দেশ দেবে না। আগামী ৩০ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি।’’



