Wednesday, July 15, 2026

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

ঐতিহ্যের হস্তান্তর!‌ প্রধান অতিথি শুভেন্দু!‌ কলকাতার ইসকনের রথে টান দেবেন মুখ্যমন্ত্রী

RK NEWZ বৃহস্পতিবার উদযাপিত হতে চলেছে এই রথযাত্রা। ইসকন সূত্রে খবর, সেদিন বেলা ১১টা ৪৫ মিনিট নাগাদ সভাস্থলে উপস্থিত হবেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে একাধিক দেববিগ্রহ দর্শন, বিশেষ আরতি ও শাস্ত্রীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার পর তাঁর হাত ধরেই টান পড়বে রথের রশিতে, গড়াবে জগন্নাথ দেবের চাকা। অতীতে মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতি বছরই ইসকনের রথযাত্রার শুভ সূচনা করতেন এবং প্রথম রশিতে টান দিতেন। কিন্তু বাংলায় রাজনৈতিক ক্ষমতা বদলের পর এবার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে নতুন সরকার। প্রথা মেনে এবারও রাজ্য প্রশাসনের প্রধান হিসেবেই রথযাত্রায় উপস্থিত থাকছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু নামটা শুভেন্দু অধিকারী। ১৬ জুলাই, বৃহস্পতিবার উদযাপিত হতে চলেছে এই রথযাত্রা। ইসকন সূত্রে খবর, সেদিন বেলা ১১টা ৪৫ মিনিট নাগাদ সভাস্থলে উপস্থিত হবেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে একাধিক দেববিগ্রহ দর্শন, বিশেষ আরতি ও শাস্ত্রীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার পর তাঁর হাত ধরেই টান পড়বে রথের রশিতে, গড়াবে জগন্নাথ দেবের চাকা। বরাবরের মতোই দক্ষিণ কলকাতা থেকে যাত্রা শুরু করবে ইসকনের এই বর্ণাঢ্য ও সুবিশাল শোভাযাত্রা। কলকাতার দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে বলরাম, সুভদ্রা এবং প্রভু জগন্নাথ দেবের রথ এসে থামবে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড বা ময়দান চত্বরে। সেখানেই দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য মেনে তৈরি করা হয়েছে জগন্নাথ দেবের অস্থায়ী ‘মাসির বাড়ি’। সোজা রথ থেকে উল্টো রথ পর্যন্ত দেবতারা সেখানেই অবস্থান করবেন এবং ভক্তদের দর্শন দেবেন। রথযাত্রা উপলক্ষে কলকাতার ইসকন মন্দিরে এক উচ্চপর্যায়ের সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা ইসকনের অধ্যক্ষ দয়ারাম দাস, সহ-অধ্যক্ষ বল্লভ চৈতন্য দাস, রথযাত্রা কমিটির চেয়ারম্যান অনঙ্গ মোহন দাস এবং সচিব অনন্ত ভগবান দাস। তাঁরা জানান, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে এই উৎসবে শামিল হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানোর কথা ভাবা হচ্ছে। ইসকন নেতৃত্বের কথায়, “আমরা জানতে পেরেছি যে রথযাত্রা উৎসবের মধ্যবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কলকাতায় অবস্থান করতে পারেন। তাই তাঁকে এই পুণ্য উৎসবে সশরীরে উপস্থিত থাকার জন্য একটি আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র পাঠানোর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।” গত বছর সোজা রথ থেকে উল্টো রথ পর্যন্ত প্রায় ৩০ লক্ষ ভক্তের মহাসমাগম হয়েছিল কলকাতায়। এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে যাবে বলে আশা করছেন উদ্যোক্তারা। কলকাতার রথযাত্রায় অংশ নিতে এবার ভারত ছাড়াও চিন, ইউক্রেন, রাশিয়া, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো একাধিক দেশ থেকে বহু বিদেশি ভক্ত কলকাতায় আসছেন। ফলে কড়া নিরাপত্তা বলয় ও নিখুঁত ব্যবস্থাপনায় উৎসবকে সর্বাঙ্গীণ সুন্দর করে তুলতে এখন থেকেই কোমর বেঁধে নামছে পুলিশ প্রশাসন ও ইসকন কমিটি।

এদিকে, তারকেশ্বর ‘অবহেলিত’ ছিল, যার জন্য দায়ী পূর্বতন সরকারের ‘একচোখো নীতি’। তারা ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করত। তারকেশ্বরে শ্রাবণী মেলার উদ্বোধনে গিয়ে তৃণমূল সরকারকে এ ভাবেই কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানালেন, এ বার তারকেশ্বরকে আন্তর্জাতিক তীর্থক্ষেত্রে পরিণত করা হবে। শ্রাবণী মেলা জাতীয় মেলার তকমা পাবে। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন, এ বছর জলযাত্রীদের জন্য কী কী ব্যবস্থা তাঁর সরকার করেছে। এ রাজ্যে তীর্থক্ষেত্র সার্কিট তৈরির কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। চলতি বছর রথযাত্রা কমিটিগুলিকে অনুদান দেওয়ার পাশাপাশি তারকেশ্বরে জলযাত্রীদের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। শুধু তারকেশ্বর নয়, এ রাজ্যের আরও দুই শিবমন্দিরে জলযাত্রীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান শুভেন্দু। তালিকায় রয়েছে জলপাইগুড়ির জল্পেশ এবং ভুটান সীমান্তে শিবমন্দির। তার পরেই মুখ্যমন্ত্রী আঙুল তোলেন পূর্বতন তৃণমূল সরকারের দিকে। তিনি বলেন, ‘‘প্রত্যেক নির্বাচিত সরকারের কর্তব্য আধ্যাত্মিকতা ধরে রাখা। আমরা মনে করি, তারকেশ্বর অবহেলিত ছিল। বিগত সরকার এক চোখ বন্ধ করে রাখত।’’ তিনি এখানেই থামেননি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘‘আজ রাজা, জমিদার প্রথা উঠে গিয়েছে। লোক ধর্ম পালন করতে হয়। সেটা পালন করতে গেলে কোনও সরকারের একটা চোখ বন্ধ রাখা উচিত নয়, দুটো চোখ খোলা রাখা উচিত।’’

নতুন সরকার যে পূর্বতন সরকারের পথে হাঁটবে না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গে যে সরকার তৈরি হয়েছে, সেই সরকার রাষ্ট্রবাদ, দেশপ্রেম, ভারতবর্ষে আদি অনন্তকাল ধরে যে সংস্কৃতি চলছে, তাকে মর্যাদা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দেখানো পথেই চলবে সেই সরকার। তিনি এ-ও জানান, বিগত বছরগুলিতে রাজ্য সরকারের তরফে জলযাত্রীদের জন্য ব্যবস্থা করা না হলেও বিজেপি নিজেদের উদ্যোগে সেবাদান করেছে। তাঁর কটাক্ষ, ‘‘আগের সরকার গোটাকতক সিভিক ভলান্টিয়ারকে দাঁড় করিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে দায়িত্বমুক্ত হত। ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করত।’’ এ বছর থেকে জলযাত্রীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, তারকেশ্বর ধামকে নিয়ে বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। শেওড়াফুলি থেকে তারকেশ্বরে প্রবেশ পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার অন্তর অন্তর সরকারি সেবাকেন্দ্র করা হয়েছে। সেখানে জল, ওআরএস থাকবে পুণ্যার্থীদের জন্য। তাঁদের সব রকম সহযোগিতার ব্যবস্থা থাকবে। যতটা সম্ভব পথ আলোয় সাজানো হয়েছে। তারকেশ্বর ডেভেলপমেন্ট অথরিটির দায়িত্ব অতিরিক্ত জেলাশাসককে দেওয়া হয়েছে। প্রতি সোমবার জলযাত্রীদের মাথায় আকাশে কপ্টার থেকে ফুলবর্ষণ করা হবে। তবে আবহাওয়া অনুকূল থাকলে তবেই তা করা যাবে। শুভেন্দু বলেন, ‘‘আগামী দিনে আমরা তারকেশ্বর ধামকে আন্তর্জাতিক তীর্থক্ষেত্র করব। শ্রাবণী মেলাকে জাতীয় মেলার রূপ দেওয়া হবে। শুধু এলাকাবাসীর স্বার্থে নয়, মন্দিরের ঐতিহ্যের গরিমা অনেক বড়, তা প্রতিষ্ঠা করা হবে।’’ মুখ্যমন্ত্রীর আশা, বিদেশি পর্যটকদের আনাগোনাও বাড়বে মন্দিরে। উজ্জ্বয়িনী, কাশী বিশ্বনাথ, অযোধ্যার রামমন্দির যে ভাবে সেজে উঠেছে, একই ভাবে তারকেশ্বর সেজে উঠবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, তীর্থক্ষেত্র সার্কিট তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাঁর সরকার। সে জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে এক হাজার কোটি টাকা। মুর্শিদাবাদের কিরীটেশ্বরী থেকে জলপাইগুড়ির জল্পেশ মন্দির, কোচবিহারের মদনমোহন, বীরভূমের তারাপীঠ, দক্ষিণেশ্বরের কালী মন্দির, কালীঘাট থেকে তারকেশ্বর— সার্কিট তৈরি হবে। সোমবার নবান্নে রথযাত্রা নিয়ে বৈঠকের সময় তিনি বলেছিলেন, ‘‘মঠ, মন্দির, কিরীটেশ্বরী-সহ অনেক প্রাচীন মন্দির, যাদের ইতিহাস রয়েছে, তাদের সংস্কার এবং হেরিটেজের আওতায় আনার উদ্যোগী হয়েছি। ধর্মীয় স্থানগুলিকে রক্ষণাবেক্ষণ, সংরক্ষণে ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি।’’ মঙ্গলবার তারকেশ্বরে গিয়ে আবার সে কথা বলেন শুভেন্দু।

৬০টি রথযাত্রা কমিটিকে ৫ লক্ষ টাকা করে অনুদান, শ্রাবণে প্রতি সোমবার জলযাত্রীদের উপর কপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রথম বছর কমিটির তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে কোনও ত্রুটি হলে যেন ‘ক্ষমাসুন্দর’ দৃষ্টিতে দেখা হয়। তাঁর আশ্বাস, আগামী দিনে ত্রুটিহীন তালিকা তৈরি করা হবে। রাজ্যে ৬০টি রথযাত্রা কমিটিকে পাঁচ লক্ষ টাকা করে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে। সোমবার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কটাক্ষ, পূর্বতন সরকার যখন শুধু কয়েক জন ট্রাফিক পুলিশ পাঠিয়েই দায়িত্ব সেরেছে, তখন তাঁর সরকার সরাসরি যোগ দেবে উৎসবে। শুধু রথযাত্রা নয়, শ্রাবণ মাসে পুণ্যার্থীদের জন্যও থাকবে বিশেষ ব্যবস্থা, ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই পরিষেবা প্রদানের জন্য রাজ্যের তিনটি মন্দিরকে বেছে নিয়েছে রাজ্য সরকার। শুভেন্দু জানান, জলযাত্রীদের মাথায় হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি করা হবে। শুভেন্দু ঘোষণা করে বলেন, ‘‘দশকের পর দশক উৎসব হয়, এমন ৬০টি কমিটিকে ৫ লক্ষ টাকা করে সরকারি সহায়তা দেব। এটি আমাদের অংশগ্রহণ।’’ তিনি এ-ও জানিয়েছেন, প্রথম বছর কমিটির তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে কোনও ত্রুটি হলে যেন ‘ক্ষমাসুন্দর’ দৃষ্টিতে দেখা হয়। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘‘আগামী দিনে ত্রুটিহীন তালিকা তৈরি করব। অনেক দূর যাবে (এই বিশেষ ব্যবস্থা)। আজ যে বৃক্ষ রোপিত হল, আগামী দিনে মহীরূহ হবে। ঐতিহ্যে পরিণত হবে।’’ কমিটিগুলিকে তিনি অনুরোধ করেছেন, সরকারি সহায়তায় যেন পুরনো রথের সংস্কার করা হয়। বিশেষত যেগুলি কাঠের তৈরি।

রথযাত্রা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী পূর্বতন তৃণমূল সরকারকেও এক হাত নিয়েছেন। জানিয়েছেন, এই সরকার প্রধানমন্ত্রীর স্লোগান মেনেই কাজ করবে। তাঁর কথায়, ‘‘এত দিন রথযাত্রাগুলিতে সরকারি স্তরে কয়েক জন ট্রাফিক পুলিশ পাঠিয়ে সরকার দায়িত্ব পালন শেষ করত। বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর যে স্লোগান— উন্নয়ন এবং ঐতিহ্য, দু’টিকে সামনে রেখে এগোতে চায়। এ বারের রথযাত্রায় সরকারি ভাবে, সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’ তিনি জানান, সারা রাজ্যে ৭৫টি ‘ঐতিহ্যবাহী’ রথযাত্রার মেলায় সেবাকেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাঁর সরকার। তাঁর অধীনে থাকা তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের পরিচালনায় পুণ্যার্থীদের ‘ন্যূনতম পরিষেবা’ প্রদান করা হবে। পুরসভা, জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট রথযাত্রা কমিটিকে সেই পরিষেবা প্রদানে যুক্ত করা হবে। চলতি বছর শ্রাবণ মেলার সময় জলযাত্রীদের জন্যও বিশেষ পরিষেবার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘শেওরাফুলি থেকে তারকেশ্বরে যাওয়ার পথে প্রতি ৫ কিলোমিটার অন্তর সেবাকেন্দ্র স্থাপন করছে সরকার। তারকেশ্বর ধামকে সাজানোর জন্য ১৫ কোটি টাকার কাজ করছি।’’ মুখ্যমন্ত্রী জানান, জলযাত্রীদের পরিষেবার জন্য রাজ্যের তিনটি ক্ষেত্রকে বেছে নিয়েছে সরকার— জলপাইগুড়ির জল্পেশ মন্দির, একটি ভুটান সীমান্তবর্তী জয়ন্তী এলাকার মন্দির এবং তারকেশ্বর। এই তিন মন্দিরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠবে পরিষেবা কেন্দ্র। সেখানে যে জলযাত্রীরা যাবেন, তাঁদের জন্য থাকবে পুলিশ সহায়তা কেন্দ্র, অস্থায়ী স্বাস্থ্য শিবির। জলযাত্রীদের পথে জল, ওআরএস দেওয়া হবে। তাঁদের বিশ্রামের জায়গা থাকবে। এই প্রসঙ্গেও তিনি পূর্বতন সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘ভারতের অন্য রাজ্যে দেখেছি, সরকারি ভাবে এই পরম্পরাকে সহযোগিতা করা হয়। এত দিন এই রাজ্য বঞ্চিত ছিল। কিন্তু এই সরকার সহায়তা করবে।’’ মুখ্যমন্ত্রী এ-ও জানিয়েছেন, শ্রাবণ মাসের প্রতি সোমবার জলযাত্রীদের উপরে কপ্টার থেকে গোলাপ বর্ষণ করানো হবে। যদিও আবহাওয়া অনুকূল থাকলে তবেই তা করা হবে। তিনি নিজে ১৪ জুলাই, মঙ্গলবার তারকেশ্বরে উপস্থিত থাকবেন বলেও জানিয়েছেন। সেখানে শ্রাবণী মেলার সূচনা করবেন। মুখ্যমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, বাজেটে ‘তীর্থক্ষেত্র সার্কিট’ রাখা হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘মঠ, মন্দির, কিরিটেশ্বরী-সহ অনেক প্রাচীন মন্দির, যাদের ইতিহাস রয়েছে, তাদের সংস্কার এবং হেরিটেজের আওতায় আনার উদ্যোগী হয়েছি। ধর্মীয় স্থানগুলিকে রক্ষণাবেক্ষণ, সংরক্ষণে ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি।’’ পাশাপাশি, ভারত সেবশ্রমের হাসপাতালগুলিকে আয়ুষ্মান ভারতের অধীনে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মস্থান সিমলা স্ট্রিটকে ৫ কোটি টাকা ‘কর্পাস ফান্ড’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাঁর সরকার, জানিয়েছেন শুভেন্দু।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles