Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

এবার আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের থিম ‘যোগা ফর হেল্‌দি এজিং’!‌ প্রথমবার রেড রোডে মেগা যোগ কার্নিভাল!‌ যোগ দিবস পালন প্রধানমন্ত্রীর

RK NEWZ রেড রোডে যোগ কার্নিভালে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ১২ তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে আজ রেড রোডে মেগা যোগ কার্নিভালের আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই প্রথমবার কলকাতায় যোগ দিবস পালন করছেন প্রধানমন্ত্রী। রেড রোডে যোগ মঞ্চে উপস্থিত হয়ে যোগের প্রয়োজনীয়তার কথা জানান নরেন্দ্র মোদি। এরপর তিনি যোগ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২১ জুন সবথেকে বড় উৎসবে পরিণত হয়েছে। কলকাতাবাসী স্বচ্ছতার সঙ্গে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। যোগ সবাইকে জুড়ে দেয়। গীতায় যোগের কথা বলেছে শ্রীকৃষ্ণ। যোগ জীবনশৈলিতে ভারসাম্য আনে। ৭০ বছর বয়সেও ৫০ বছরের অনুভূতি দেয় যোগ। ৪০ বছরেও ২০ বছরের ফিটনেস দিতে পারে। পশ্চিমবঙ্গে যোগ দিবসের গুরুত্বের কথাও জানান তিনি। যোগ মানসিক স্বাস্থ্যও ভালো রাখে। ১২০ দেশের ৩০ লাখের বেশি লোক এই উদ্যোগে অংশগ্রহণ করেছে। যোগের উপকারিতার কথাও ফের একবার তুলে ধরেন মোদী। যোগ কীভাবে মন ও শরীরকে শান্ত রাখে, একমুখী করে, জীবনে লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করে সেই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বলেন, “বয়সকালে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে যোগ। রোজ যোগাভ্যাস করলে মন শান্ত থাকে, উদ্বেগকে দূরে রাখা যায়।” শুভেন্দুর পরেই মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুরুতেই বাংলায় প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতে দেখা প্রধানমন্ত্রীকে। টেনে আনেন ইতিহাস। বলেন, “বাংলার পুণ্যভূমিতে যোগ দিবস পালন বড় প্রাপ্তি। কলকাতাবাসী স্বচ্ছতার সঙ্গে দিনটিকে স্বাগত জানিয়েছেন। যোগে কোনও বয়সের সীমা থাকে না। যোগ দিবস তুলে ধরেছে দেশে ঐক্যের ছবি। যোগ মানব জীবনের চেতনার প্রকাশ। সবাইকে জুড়ে দিয়েছে যোগ দিবস। একটা গোটা দেশ এক হয়েছে। ২১ জুন বিশ্বের অন্যতম উৎসবের রূপ নিয়েছে।” শুভেন্দুর পরেই মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুরুতেই বাংলায় প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতে দেখা প্রধানমন্ত্রীকে। টেনে আনেন ইতিহাস। বলেন, “বাংলার পুণ্যভূমিতে যোগ দিবস পালন বড় প্রাপ্তি। কলকাতাবাসী স্বচ্ছতার সঙ্গে দিনটিকে স্বাগত জানিয়েছেন। যোগে কোনও বয়সের সীমা থাকে না। যোগ দিবস তুলে ধরেছে দেশে ঐক্যের ছবি। যোগ মানব জীবনের চেতনার প্রকাশ। সবাইকে জুড়ে দিয়েছে যোগ দিবস। একটা গোটা দেশ এক হয়েছে। ২১ জুন বিশ্বের অন্যতম উৎসবের রূপ নিয়েছে।” সুস্থ থাকতে নিয়ম করে রোজ যোগাভ্যাস করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিভিন্ন আসন অনুশীলন করেন। এ বছর আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে যোগাসনের নানা পদ্ধতি অনুশীলন করে দেখিয়েছেন নিজেই। কোন আসন কী ভাবে করলে উপকার হবে, সে বিষয়ে পরামর্শও দিয়েছেন। স্থির ভাবে সুখে অবস্থান করাকেই যোগাসন বলা হয়। শরীর ও মন— দুয়ের উপরেই যোগের প্রভাব অপরিসীম। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে, সর্বোপরি নিরোগ শরীর বজায় রাখতে নিয়মিত যোগাসন করা প্রয়োজন। কলকাতার রেড রোডে দ্বাদশ আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে, রবিবার যোগাসনের নানা পদ্ধতি অনুশীলন করে দেখালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাড়াসন থেকে ত্রিকোণাসন— যোগাসনের একাধিক পদ্ধতির অনুশীলন করে দেখিয়েছেন। যোগ-স্থানে ঘুরে ঘুরে বাকিদের অনুশীলনও দেখেন। কী ভাবে আসন অভ্যাস করতে হবে সে নয়ে পরামর্শও দেন। কারও কারও ভঙ্গি শুধরেও দেন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে। এ বছরের আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের থিম ‘যোগা ফর হেল্‌দি এজিং’। অর্থাৎ, বার্ধক্যকেও নীরোগ, সতেজ ও স্বাস্থ্যবান করে তুলতে পারে যোগাসন। বেশি বয়সে শারীরিক ও মানসিক নানা সমস্যা থেকে রেহাই দিতে পারে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কোন কোন যোগাসন করে দেখালেন?

ত্রিকোণাসন — ১) প্রথমে দুই পায়ের মধ্যে ব্যবধান রেখে দাঁড়ান। ২) শ্বাস নিতে নিতে দুই হাত কাঁধের সমান সোজা করে দুই পাশে ছড়িয়ে দিন। ৩) এ বার শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে ডান দিকে এমন ভাবে শরীর বাঁকাতে হবে যেন ডান হাত ডান পায়ের গোড়ালি বা পায়ের পাতার কাছে পৌঁছোয়। বাঁ হাত সোজা উপরে তুলে দিন। হাঁটু দু’টি ভাঙা চলবে না। এই ভাবে দশ অবধি গুনুন। ৪) একই ভাবে বাঁ দিকে কাত হয়ে বাঁ হাত দিয়ে বাঁ পায়ের গোড়ালি স্পর্শ করতে হবে। ৩ বার এই আসনটি করুন। উপকারিতা: নিয়মিত ত্রিকোণাসন অভ্যাস করলে পা, পিঠ, কোমরের সঙ্গে সঙ্গে ঘাড়, কাঁধের পেশিও মজবুত হবে। এই আসন কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে এবং হজমশক্তির উন্নতি ঘটায়। শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধি করে। আসনটি করলে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভাল হবে। পেটের মেদ কমবে। এই বিষয়ে ‘ভারতীয় যোগা অ্যাসোসিয়েশন’-এর প্রশিক্ষক এবং মোহনবাগান ফুটবল ক্লাবের প্রাক্তন যোগাসন প্রশিক্ষক অনুপ আচার্য বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীকে যিনি যোগব্যায়াম শেখান, সেই সুপ্রসিদ্ধ যোগাসন প্রশিক্ষক এইচ আর নগেন্দ্রর সঙ্গে কথা হয়েছে আমার। তিনিই বলেছেন, প্রতি দিন নিয়ম করে যোগাসনের নানা পদ্ধতি অনুশীলন করেন প্রধানমন্ত্রী। সে কারণেই তিনি এত ফিট ও সুস্থ থাকতে পারেন। ত্রিকোণাসন খুবই ভাল ভাবে করেন প্রধানমন্ত্রী। আগেও বহু বার নানা জায়গায় যোগাসনের এই পদ্ধতি অনুশীলন করে দেখিয়েছেন তিনি।’’

তাড়াসন — কী ভাবে করবেন? ১) প্রথমে ম্যাটের উপর সোজা হয়ে দাঁড়ান। দু’পায়ের পাতার মধ্যে দুই ইঞ্চি দূরত্ব রাখুন। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। ২) শ্বাস নিতে নিতে হাত দু’টি মাথার উপর দিয়ে প্রসারিত করুন। গোড়ালি মাটি থেকে উপর দিকে তুলুন। মাটির সঙ্গে শুধুমাত্র আঙুলের অংশ স্পর্শ করে থাকবে। এই অবস্থায় গোটা শরীরেই টান অনুভব করবেন। ৩) পায়ের পাতার উপর গোটা শরীরের ভার বহন করতে হবে। যদি বেশি ক্ষণ পায়ের পাতার উপর দাঁড়িয়ে থাকতে না পারেন, তা হলে আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসবেন। উপকারিতা: শরীরে গঠন, ভঙ্গি ঠিক করার জন্য এই আসন কার্যকরী। বয়স্কেরা এই আসন অভ্যাস করলে শরীরের ভারসাম্য বাড়বে। হজমশক্তি ভাল হবে। এই আসন স্নায়ুর উত্তেজনা প্রশমিত করে এবং মানসিক চাপ লাঘব করতেও সাহায্য করে। যোগাসন প্রশিক্ষকের মতে, তাড়াসন যে কোনও বয়সেই করা যায়। বয়স্কেরা এই আসন অভ্যাস করলে শরীরের ভারসাম্য ঠিক থাকবে। পায়ের জোর বাড়বে। প্রধানমন্ত্রী তাড়াসন সঠিক নিয়ম মেনে করেন। এ বারেও আসনটি নিখুঁত ভাবেই করেছেন তিনি।

স্কন্ধ চক্রাসন — কী ভাবে করবেন? ১) ম্যাটের উপর শিরদাঁড়া সোজা করে পদ্মাসনে বসুন। দাঁড়িয়েও করা যায় আসনটি। ২) এ বার ডান হাতের আঙুল ডান কাঁধে ও বাম হাতের আঙুল বাম কাঁধে রাখুন। কনুই দু’টি বুকের সামনে আনতে হবে। এই অবস্থায় বাইরের দিক থেকে কনুই ঘোরাতে শুরু করুন। প্রতি বার ঘোরা শেষ হবে বুকের কাছে এসে। ৫–৭ বার এই অভ্যাস করতে হবে। ৩) এ বার একই ভাবে কাঁধে হাত রেখে বিপরীত দিকে কনুই ঘোরাতে হবে। কনুই যখন উপরের দিকে তুলবেন তখন ধীরে ধীরে শ্বাস টানতে হবে আর বুকের কাছে এলে শ্বাস ছাড়তে হবে।
উপকারিতা: এই আসন অভ্যাসে মেরুদণ্ড সংলগ্ন পেশিগুলির কার্যকারিতা বাড়ে। শিরদাঁড়ার নমনীয়তা নষ্ট হয়ে গেলে শরীরের সমস্ত স্নায়ু কার্যক্ষমতা কমতে থাকবে। নিয়মিত এই আসন অভ্যাস করলে স্নায়ুতন্ত্র উজ্জীবিত হয় ও সঠিক ভাবে কাজ করতে পারে। ঘাড় ও কাঁধের ব্যথাবেদনা কমাতেও আসনটি কার্যকরী। কাঁধের ব্যায়াম স্কন্ধ চক্রাসন। যে কোনও বয়সেই অভ্যাস করা যায়। অনুপবাবু জানালেন, কাঁধ ও ঘাড়ের যন্ত্রণা কমাতে আসনটি উপকারী। নরেন্দ্র মোদী আগেও নানা জায়গায় এই আসনটি অনুশীলন করে দেখিয়েছেন। এ দিনের অনুষ্ঠানে তিনি স্পষ্ট ভাবে আসনটি একাধিক বার করে দেখিয়েছেন।

নেক স্ট্রেচ বা গ্রীবা প্রসারণ — কী ভাবে করবেন? ১) পিঠ সোজা করে কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়ান। চেয়ারে বসেও আসনটি করা যায়। ২) শ্বাস নিতে নিতে ডান দিকের কাঁধের উপর ধীরে ধীরে মাথা নোয়াতে হবে। শ্বাস নিতে নিতে শুরুর অবস্থানে ফিরে আসুন। ৩) এ বার শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে ঘাড় কাত করুন বাঁ দিকের কাঁধের উপর। আবার শ্বাস নিতে নিতে শুরুর অবস্থানে আসুন। এক রাউন্ড সম্পূর্ণ হল। এইভাবে ৭ রাউন্ড অভ্যাস করতে হবে। উপকারিতা: নিয়মিত অভ্যাস করলে অনিদ্রার সমস্যা ধীরে ধীরে দূর হবে। ঘাড় ও সংলগ্ন কাঁধের পেশী নমনীয় হবে। মনোযোগ বৃদ্ধি করতেও এই আসনটি নিয়ম করে অভ্যাস করা যায়। নিয়মিত অভ্যাসে মাথাযন্ত্রণা, মাইগ্রেনের সমস্যাও অনেক কমে যাবে। যাঁরা নাগাড়ে চেয়ারে বসে কম্পিউটারে কাজ করেন, দীর্ঘ সময় গাড়ি চালান বা ভারী ব্যাগ বইতে হয়, তাঁরা এই আসনটি অভ্যাস করলে ঘাড় ও কাঁধের যন্ত্রণা থেকে রেহাই পাবেন। ঘাড়ের ব্যায়াম গ্রীবা প্রসারণ। প্রধানমন্ত্রী এই আসনটি সবচেয়ে ভাল ভাবে করেছেন। সঠিক নিয়মে অনুশীলন করে দেখিয়েছেন।

নাড়িশোধন প্রাণায়াম — কী ভাবে করবেন? ১) মুখের সামনে ডান হাতের আঙুলগুলিকে আনুন, এর পর তর্জনী ও মধ্যমাকে হালকা ভাবে দুই ভ্রুর মাঝে রাখুন। ২) বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠকে ডান নাকের ছিদ্রে ও অনামিকাকে বাঁ নাকের ছিদ্রে রাখুন। এ বার বুড়ো আঙুলের চাপে নাকের ডান দিকের ছিদ্র বন্ধ করে বাঁ দিকের নাকের ছিদ্র দিয়ে যতটা পারেন শ্বাস নিন। ৩) অনামিকা দিয়ে চেপে ডান দিকের নাকের ছিদ্র বন্ধ করে শ্বাস ছাড়ুন বাঁ নাক দিয়ে। এই পদ্ধতিতে প্রতিটি নাসারন্ধ্রে ১০-১৫ বার করে অভ্যাস করুন এই প্রাণায়াম। উপকারিতা: শ্বাসের সমস্যা দূর হবে। হাঁপানি, সিওপিডির রোগীদের জন্য উপকারী শ্বাসের এই ব্যায়াম। নিয়মিত অভ্যাসে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়বে, স্মৃতিশক্তি উন্নত হবে, মনঃসংযোগ বাড়বে। অনিদ্রার সমস্যাও দূর হবে। প্রাণায়ামের যে কোনও পদ্ধতিতেই সিদ্ধহস্ত প্রধানমন্ত্রী। আগেও বহুবার প্রাণায়ামের নানা পদ্ধতি অনুশীলন করে দেখিয়েছেন। এ দিনের অনুষ্ঠানে তিনি দাঁড়িয়ে প্রাণায়াম করে দেখিয়েছেন। হাতের মুদ্রা সঠিকই ছিল তাঁর। যোগাসন ভারতীয় সংস্কৃতির ভাবাধারাতে অনুপ্রাণিত। অনুপবাবুর কথায়, এ হল গুরু-শিষ্য পরম্পরা। প্রাচীনকালে ঋষিরা অভ্যাস করতেন। সেই সূত্রে যোগের নানা পদ্ধতির প্রসার হয়েছে। যোগাসন এই বাংলাতেও সুপ্রসিদ্ধ বহু সময় ধরেই। খাস কলকাতাতেই ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ় বা যোগের ভাষায় সূক্ষ্ম ব্যায়ামের প্রবর্তন করেছিলেন স্বামী ধীরেন্দ্র ব্রহ্মচারী। ভিক্টোরিয়ায় প্রতি দিন সকালে তিনি তা অনুশীলনও করাতেন। ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর তিনি যোগগুরু ছিলেন। তিনি দেখিয়ে গিয়েছেন, যোগাসন করলে রোগব্যাধি থেকে দূরে থাকা যায়। ওষুধ একটা সময়ের পরে কাজ করা বন্ধ করে দেয়। যোগাসনের প্রভাব কিন্তু সুদূরপ্রসারী। শরীর ও মন, দুই-ই সুস্থ রাখতে যোগাসনের কোনও বিকল্প নেই।

হাওড়ার এলআরএস বাংলা স্পোর্টস অ্যাকেডেমির মাঠে অনুষ্ঠিত হয় যোগ কার্নিভালের। উপস্থিত ছিলেন বাংলার প্রাক্তন ক্রিকেটার ও কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা এবং অ্যাকাডেমির চেয়ারম্যান ঈশান শুক্লা সহ বিশিষ্টরাও।। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে রবিবার গোটা দেশের মতোই হাওড়ায় নিজের ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন বাংলার ক্রিকেট দলের কোচ ও ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার লক্ষ্মীরতন শুক্লা। প্রতি বছরের মতো এবারও অ্যাকাডেমির ক্রিকেট শিক্ষার্থীদের নিয়ে তিনি যোগাভ্যাসে অংশ নেন। বিভিন্ন আসনও করেন। যোগের গুরুত্ব তুলে ধরে লক্ষ্মীরতন বলেন, “এটা এক দিনের ব্যাপার নয়। সুস্থ ও সুষম জীবনযাপনের জন্য প্রতিদিনই যোগাভ্যাস করা উচিত। আমাদের অ্যাকাডেমিতে প্রতি বছর আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করা হয়। ভারতের প্রাচীন যোগব্যায়ামকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ।” লক্ষ্মী আরও জানান, ক্রিকেটারদের শারীরিক ও মানসিক ফিটনেস বজায় রাখতে যোগাভ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণেই ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগচর্চার অভ্যাস গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয় অ্যাকাডেমিতে। ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেন গার্ডেন্সে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন হয়।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসংঘের সভায় একটি ভাষণে অধিকতর বাসযোগ্য ও সুস্থিতিশীল বিশ্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে মানুষের জীবনযাত্রার ধরন পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। বলেন, যোগ হল মন ও শরীর, চিন্তা ও কর্ম, সংযম ও পরিতৃপ্তি, মানুষ ও প্রকৃতির মধ্যে সামঞ্জস্য সাধনের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির মূর্ত প্রতীক। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে, ২০১৪ সালের ১১ ডিসেম্বর রাষ্ট্র সংঘের সাধারণ পরিষদ ২১ জুন দিনটিকে ‘আন্তর্জাতিক যোগ দিবস’ হিসাবে ঘোষণা করার প্রস্তাব অনুমোদন করে। যে-প্রস্তাব রেকর্ড সংখ্যক ১৭৪টিরও বেশি দেশ সমর্থন করেছিল। আজ ২১ জুন, যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কলকাতায় যোগ দিবসের কর্মসূচির নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তখন আমি একই উদযাপনের অংশ হিসাবে লাদাখ সফরে। আমিও বহু বছর ধরে যোগ ও পঞ্চকর্ম যা প্রায়শই ‘সহোদর শাস্ত্র’ হিসাবে অভিহিত- অনুশীলনের সুফল ভোগ করেছি। কালজয়ী ঐতিহ্য ‘যোগ’। শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক সুস্থতার কালজয়ী সাধনা। বিশ্বাস করা হয় যে, ভারতীয় সভ্যতার সূচনালগ্ন থেকেই এর যাত্রা শুরু। যোগশাস্ত্রের ঐতিহ্য অনুযায়ী, ভগবান শিবকে বলা হয় ‘প্রথম যোগী’ বা ‘আদি যোগী’ এবং তিনিই প্রথম গুরু বা ‘আদি গুরু’ হিসাবে পরিগণিত। অন্যদিকে, ‘যোগসূত্র’-র মাধ্যমে যোগের নীতিগুলিকে সুশৃঙ্খল ও বিধিবদ্ধ করার জন্য মহর্ষি পতঞ্জলি ‘ধ্রুপদী যোগের জনক’ বলে অভিহিত। তামিলনাড়ুর সঙ্গে মহর্ষি পতঞ্জলির গম্ভীর আধ্যাত্মিক যোগসূত্র রয়েছে। বিশ্বাস করা হয় যে, তাঁর দৈহিক ‘জীবসমাধি’ তিরুপাত্তুরেই অবস্থিত। রামকৃষ্ণ পরমহংস যোগের তিনটি মহান পথের ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন জনযোগ (প্রজ্ঞা ও জ্ঞানের পথ), কর্মযোগ (নিঃস্বার্থ সেবা ও সৎকর্মের পথ) এবং ভক্তিযোগ (বিশুদ্ধ গ্রেম ও ভক্তির পথ)। তিনি শিক্ষা দিয়েছিলেন- এই তিনটি পথই শেষ পর্যন্ত পরম সত্য উপলব্ধির ক্ষেত্রে এক বিন্দুতে মিলিত হয়। বর্তমানে যোগ ভৌগোলিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সীমানা ছাড়িয়ে এক অনন্য উচ্চতায় আসীন।

বার্ধক্যের যষ্টি। প্রতি বছর আমাদের দেশে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ‘থিম’-এর মাধ্যমে ‘আন্তর্জাতিক যোগ দিবস’ পালন করা হয়। এ বছরের বিষয়বস্তু-‘সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগব্যায়াম’ যা বিশেষ গুরুত্ববাহী। জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি এবং মৃত্যুহার হ্রাসের ফলে বিশ্বজুড়ে মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারতও এই গভীর পরিবর্তনের সাক্ষী হচ্ছে। ‘রাষ্ট্রপুঞ্জের জনসংখ্যা তহবিল’-এর প্রকাশিত ‘ইন্ডিয়া এজিং রিপোর্ট ২০২৩’ অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে প্রতি ৫ জন ভারতীয়র মধ্যে প্রায় একজনের বয়স ৬০ বছরের বেশি হতে চলেছে। দীর্ঘায়ুর এই অমূল্য উপহারটি আমরা উদযাপন করলেও একই সঙ্গে এটি সমাজের উপর একটি গুরুদায়িত্ব অর্পণ করে- তা হল, এটি নিশ্চিত করা যে, জীবনের বাড়তি বছরগুলিতে শুধু যেন আয়ুই না বাড়ে, বরং সেই বছরগুলি যেন অর্থবহ ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এই প্রেক্ষাপটে, ‘সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগব্যায়াম’ একটি সময়োপযোগী বার্তা। ভারতে ‘সিলভার ইকোনমি’ বা প্রবীণ-কেন্দ্রিক অর্থনীতির প্রসার ঘটছে, যা মূলত স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রবীণ নাগরিকদের প্রয়োজনীয় পণ্য ও পরিষেবার উপর গুরুত্ব দেয়া। শিল্প বিশেষজ্ঞদের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে এই ক্ষেত্রের আকার প্রায় ৭৩,০০০ কোটি টাকা। আগামী বছরগুলিতে এই ক্ষেত্রের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে। বার্ধক্যজনিত বর্তমান বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে দেখা যাচ্ছে, প্রবীণ নাগরিকদের নানাবিধ দুর্বলতা ও ঝুঁকির এক জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে জীবন অতিবাহিত করতে হয়। ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এই প্রেক্ষাপটে বিশ্বজুড়ে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে অসংক্রামক রোগ, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতার ক্রমবর্ধমান বোঝা বা সমস্যার কথা বারবার তুলে ধরেছে। বর্তমান সময়ের আরও জরুরি প্রয়োজন হল, অল্প বয়স থেকেই মানুষকে যোগব্যায়ামের সঙ্গে পরিচিত করে তোলা। যত কম বয়সে যোগাভ্যাসে শুরু করা যাবে, তার সুফল তত বেশি মিলবে ভবিষ্যতে। ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০’-তেও স্বাস্থ্য সুস্থতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে যোগব্যায়াম গুরুত্বপূর্ণ। স্থান দেওয়া হয়েছে। তরুণ প্রজন্মকে যোগব্যায়ামের পথে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে এটি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। এটি শিক্ষার্থীদের যোগ দিবসে প্রধানমন্ত্রী। রাঁচি, ২১ জুন, ২০১৯ মধ্যে শৃঙ্খলাবোৎ একাগ্রতা, মানসিক ভারসাম্য, স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গড়ে তোলার মাধ্যম হিসাবে কাজ করবে। সমস্যার সমাধান। ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্স ও হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের মতো শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান, তৎসহ ‘ল্যানসেট’-এর মতো স্বীকৃত পত্রিকার গবেষণায় প্রমাণিত- নিয়মিত যোগব্যায়াম প্রবীণ নাগরিকদের শারীরিক ভারসাম্য, নমনীয়তা ও চলাফেরার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। গবেষণায় আরও দেখা গিয়েছে যে হাড়ের ঋনত্ব বৃদ্ধি, আর্থারইটিস বা বারের বাদা উপশম, শ্বাস-প্রশ্বাসের কার্যকারিতা বাড়ানো, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং মানসিক সুস্থতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে যোগব্যায়ামের সুনির্দিষ্ট ও পরিমাপযোগ্য সুফল রয়েছে। পাশাপাশি, ধ্যান ও শ্বাসপ্রশ্বাস সংক্রান্ত অনুশীলনের মাধ্যমে প্রবীণদের ঘুমের মান, মানসিক সূস্থায়িত্ব, বুদ্ধিবৃত্তিক কার্যক্ষমতার উন্নতি ঘটে বলেও প্রমাণিত। যোগব্যায়ামের প্রকৃত শক্তি নিহিত এর সর্বাঙ্গীণ প্রকৃতির মধ্যে। শারীরিক সুস্থতা বা পুনর্বাসনের বাইরেও যোগব্যায়াম মানসিক ভারসাম্য ও সামাজিক সংযোগ গড়ে তুলতে সহায়তা করে। দেখেছি, বার্ধক্যজনিত অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ প্রবীণদের মধ্যে একাকীত্ববোধ। যোগব্যায়াম এই একাকীত্বকে ধীরে ধীরে এক বৃহত্তর সমষ্টিগত একাত্মবোধে রূপান্তরিত করে। এটি মানুষকে ‘আত্মকেন্দ্রিক’ মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে সহানুভূতি, পারস্পরিক সংযোগ এবং অভ্যন্তরীণ শান্তির উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা ‘সার্বিক’ চেতনায় দিকে ধাবিত হতে উৎসাহিত করে। ‘সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগব্যায়াম’ এর ক্ষেত্রে অত্যন্ত কঠোর শারীরিক কসরতের প্রয়োজন হয় না। প্রথাগত যোগানুশীলন অত্যান্ত সতর্কতার সঙ্গে এমন সব সহজ ও ‘ল্যানসেট’-এর মতো বিভিন্ন স্বীকৃত পত্রিকার গবেষণায় প্রমাণিত, নিয়মিত যোগব্যায়াম প্রবীণ নাগরিকদের শারীরিক ভারসাম্য, নমনীয়তা ও চলাফেরার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি, আর্থারাইটিস বা বাতের ব্যথা উপশম, শ্বাস-প্রশ্বাসের কার্যকারিতা বাড়ানো, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং মানসিক সুস্থতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে যোগব্যায়ামের সুনির্দিষ্ট ও পরিমাপযোগ্য সুফল রয়েছে। সাবলীল পদ্ধরিতে রূপান্তর করা হয়েছে, যা প্রবীণ নাগরিকদের জন্য উপযুক্ত। এর মধ্যে রয়েছে ‘যোগিক সুক্ষ্ম ব্যায়াম’, চেনারের সহায়তায় বিভিন্ন আসন, নির্দেশিত আস-প্রশ্বাসের কৌশল এবং ধ্যান-যা বয়স্ক শরীরের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না করেই স্নায়ু-অন্তক্ষেরা তন্ত্র (Neuroendocrine gystem) ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে। শক্তিশালী করে তোলে। এই বিপুল সুফলগুলির কথা বিকেনা করে। ‘আয়ুষ মন্ত্রক’ ‘অসংক্রামক রোগ ও নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্য ১০টি যোগ-প্রোটোকল’ শীর্ষক এক যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে প্রবীণদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ ও প্রমাণ-ভিত্তিক যোগব্যায়াম মডিউল। এছাড়া, ‘যোগ ৩৬৫’ নামক দেশব্যাপী প্রচার অভিযানের আওতায় ১০০ দিনের একটি বিনামূল্যে নির্দেশিত অনলাইন যোগব্যায়াম কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। যার ‘লক্ষ্য’ সব বয়সের মানুষের দৈনন্দিন জীবনে যোগব্যায়ামকে একটি সহজলভ্য ও দীর্ঘায়ী সঙ্গী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত কর। ২ হাজার বছরেরও আগে তামিল সাবক ও পণ্ডিত থিরুভাইভার তাঁর ‘কুরল’-এর (৯৪৯) মাধ্যমে স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য এক ব্যক্তিগত ও সুচিন্তিত পদ্ধতির কথা বলেছিলেন ‘চিকিৎসা শুরুর আগে রোগীর শারীরিক অবস্থা, রোগের প্রকৃতি এবং উপযুক্ত সময়- এই বিষয়গুলো বিচেনা কর উচিত।’ তাঁর এই কালজয়ী প্রজ্ঞা ‘সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগব্যায়াম’-এর আধুনিক নীতিগুলির সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। যেখানে প্রতিটি ব্যক্তির ব্যাস, স্বাস্থ্য ও প্রয়োজন অনুযায়ী যোগ অনুশীলনগুলিকে বিশেষভাবে সাজানো হয়। এর ফলে মানুষ তাদের জীবনের শেষ পর্যায়েও আরও সুস্থ, কর্মচঞ্চল ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে সক্ষম হন। ২০২৮ সালের ‘আন্তর্জাতিক যোগ দিবস’ উদ্‌দ্বাপনের এই মূহুর্তে, দেশের প্রতিটি নাগরিক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সুশীল সমাজের সংগঠন, স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবী এবং কমিউনিট লিডারদের প্রতি আহবান জানাচ্ছি যোগব্যায়ামকে আজীবন পালনীয় এক সাংস্কৃতিক ও সুস্থতা-কেন্দ্রিক অভ্যাস হিসাবে গ্রহণ করার জন্য। আসুন, আমরা এমন একটি পরিবেশ গড়ে তোলার চেষ্টা করি, যেখানে আমাদের প্রবীণ নাগরিকরা ভয়, পরনির্ভরশীলতা বা একাকীত্বের মধ্যে নয়-বরং মর্যাদা, প্রাণশক্তি, সার্থকতা ও শান্তির সঙ্গে জীবনযাপন করবেন।

মহাসমারোহে যোগ দিবস পালিত হল মোহনবাগান ক্লাবেও। সচিব সৃঞ্জয় বোস, সভাপতি দেবাশিস দত্ত এবং এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্যরা সকলেই উপস্থিত ছিলেন এদিন। বিশেষ করে এদিন শিশুদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মোহনবাগান ক্লাবেও পালিত হয় আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। এদিন সচিব সৃঞ্জয় বোস জানান, কলকাতার ময়দানে যোগ দিবস পালনের সেরকম চল নেই। কিন্তু সেটার সূচনা হওয়া প্রয়োজন। সভাপতি দেবাশিস দত্তের মতে, বছরে শুধু একটা দিন নয়, নিয়মিত যোগাভ্যাস করতে হবে। এদিন যোগ দিবস উপলক্ষে মোহনবাগান ক্লাবে বহু কচিকাঁচাদের দেখা গেল যোগাসন করতে। এদিন যোগাসনের শিক্ষক ছিলেন সন্দীপ পাল। যোগ দিবস পালনের মধ্যেই মোহনবাগান ক্লাবের দুই কর্তা মুখ খুললেন সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের নতুন পদক্ষেপ নিয়ে। শনিবার জানা গিয়েছে, অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের নাম বদলে ‘ফুটবল ফেডারেশন অফ ভারত’ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নয়াদিল্লিতে এআইএফএফের বিশেষ সাধারণ সভায় এই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। তবে নাম পরিবর্তনের আগে কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রক ও ফিফার অনুমোদন লাগবে। পাস করাতে হবে কার্যকরী কমিটিতে। এছাড়াও ম্যাচের আগে জাতীয় সংগীতের পাশাপাশি বন্দে মাতরম গাওয়ার নিয়ম প্রস্তাব করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles