RK NEWZ ২০২১ সালে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে এই মুহুর্তে ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতে ফলতার জাহাঙ্গির খান। পুলিশের ‘বারমুডা’ মডেল এবার ফলতাতেও। একদা ফলতার ‘পুষ্পা’ এখন রীতিমতো ভিজে বেড়াল! নেপাল পর্যন্ত পালিয়ে গিয়েও পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পর তাঁর সমস্ত হুঙ্কার একেবারে উবে গিয়েছে। সেই জাঙ্গাঙ্গির খানকে গেঞ্জি-বারমুডা পরিয়ে ফলতা ঘোরাল পুলিশ। তাতে অবশ্য তাঁর লজ্জার লেশমাত্র নেই! রীতিমতো মাথা উঁচু করে গা-ছাড়া ভঙ্গিতে হাঁটলেন নির্বাচন থেকে শেষবেলায় নাম প্রত্যাহার করা ফলতার তৃণমূল প্রার্থী। দুপুরে ফলতার সহরারহাট থেকে জাহাঙ্গির খানকে বারমুডা ও গেঞ্জি পরিয়ে এলাকায় ঘোরায় পুলিশ। সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। স্থানীয় বাসিন্দারা ও পথচলতি মানুষ সেই দৃশ্য দেখে প্রথমে বেশ কিছুটা হতচকিত হয়ে যান। স্বচক্ষে তা দেখে প্রথমে দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতাকে চিনতেই পারেননি তাঁরা। পরে হুঁশ ফিরতেই বাসিন্দারা অবাক হয়ে যান। সেদিনের সেই অত্যাচারী জাহাঙ্গির খানের যে শেষমেশ এমন অবস্থা হবে, তা নিজের চোখে দেখে অনেকে আনন্দে হাততালিও দেন। কাউকে বলতে শোনা যায়, ”ওকে মারতে মারতে রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত।” যদিও জাহাঙ্গির দিব্যি মাথা উঁচু করেই গোটা রাস্তা হাঁটলেন। গেঞ্জি-বারমুডা পরা জাহাঙ্গিরকে ফলতা ঘোরাল পুলিশ! পুলিশের ‘বারমুডা’ মডেল এবার ফলতাতেও। একদা ফলতার ‘পুষ্পা’ এখন রীতিমতো ভিজে বেড়াল! নেপাল পর্যন্ত পালিয়ে গিয়েও পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পর তাঁর সমস্ত হুঙ্কার একেবারে উবে গিয়েছে। সেই জাঙ্গাঙ্গির খানকে গেঞ্জি-বারমুডা পরিয়ে ফলতা ঘোরাল পুলিশ। তাতে অবশ্য তাঁর লজ্জার লেশমাত্র নেই! রীতিমতো মাথা উঁচু করে গা-ছাড়া ভঙ্গিতে হাঁটলেন নির্বাচন থেকে শেষবেলায় নাম প্রত্যাহার করা ফলতার তৃণমূল প্রার্থী। ফলতার সহরারহাট থেকে জাহাঙ্গির খানকে বারমুডা ও গেঞ্জি পরিয়ে এলাকায় ঘোরায় পুলিশ। সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। স্থানীয় বাসিন্দারা ও পথচলতি মানুষ সেই দৃশ্য দেখে প্রথমে বেশ কিছুটা হতচকিত হয়ে যান। স্বচক্ষে তা দেখে প্রথমে দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতাকে চিনতেই পারেননি তাঁরা। পরে হুঁশ ফিরতেই বাসিন্দারা অবাক হয়ে যান। সেদিনের সেই অত্যাচারী জাহাঙ্গির খানের যে শেষমেশ এমন অবস্থা হবে, তা নিজের চোখে দেখে অনেকে আনন্দে হাততালিও দেন। কাউকে বলতে শোনা যায়, ”ওকে মারতে মারতে রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত।” জাহাঙ্গির দিব্যি মাথা উঁচু করেই গোটা রাস্তা হাঁটলেন।
মাছ ভাজার নামে ডাকা হত মহিলাদের, সন্ধেয় বাগানবাড়িতে বাড়ত ভিড়! চর্চায় দেগঙ্গার ‘শাহজাহান’। দিনের বেলায় নির্জন। সন্ধ্যা নামলেই বাড়তে শুরু করত ভিড়। গভীর রাত পর্যন্ত চলত লোকজনের আনাগোনা। দেগঙ্গার হাঁসিয়ার একটি বাগানবাড়িকে ঘিরে এখন এমনই নানা অভিযোগ ঘুরছে স্থানীয় মহলে। মাছ কাটা, মাছ ভাজার নাম করে নাকি ডেকে পাঠানো হত মহিলাদের। আর সেই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন তৃণমূল নেতা রবিউল ইসলাম। যিনি সম্প্রতি গ্রেপ্তার হয়ে আদালতের নির্দেশে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। রবিউল গ্রেপ্তার হওয়ার পরই মুখ খুলতে শুরু করেছেন এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁদের দাবি, মাছ কাটা, মাছ ভাজা কিংবা রান্নার কাজের কথা বলে প্রায়ই স্থানীয় মহিলাদের ডেকে পাঠানো হত ওই বাগানবাড়িতে। অভিযোগ, সন্ধ্যার পর বাগানবাড়িটি অন্য চেহারা নিত। নিয়মিত বসত মদের আসর। বাইরের লোকজনের যাতায়াতও ছিল চোখে পড়ার মতো। মহিলাদের ব্যবহার করে অসামাজিক কর্মকাণ্ড চালানো হত বলেও অভিযোগ। কয়েকজন বাসিন্দা মধুচক্র পরিচালনার অভিযোগও তুলেছেন। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের কোনও প্রমাণ মেলেনি। সন্দেশখালিতে একসময় ‘পিঠে ভাজা’ নিয়ে যে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, দেগঙ্গায় এখন তেমনই চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে ‘মাছ ভাজা’। স্থানীয়দের কথায়, এই একটি শব্দবন্ধই এখন এলাকায় রবিউলকে ঘিরে নানা গুঞ্জনের প্রতীক হয়ে উঠেছে। শুধু বাগানবাড়ির কার্যকলাপ নয়, তার নির্মাণ নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন বাসিন্দারা। অভিযোগ, কৃষিজমির চরিত্র বদলে মাটি কেটে তৈরি করা হয়েছিল বড়সড় ঝিল। পরে তার ধারেই তৈরি হয় শান বাঁধানো ঘাট ও বিলাসবহুল বাগানবাড়ি। দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে থাকা ওই সম্পত্তি নিয়ে নানা জল্পনা থাকলেও প্রকাশ্যে খুব কম মানুষই মুখ খুলতেন বলে দাবি স্থানীয়দের। স্থানীয় বাসিন্দা রাজু মণ্ডল ও টনি বিশ্বাসের অভিযোগ, একসময় দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন রবিউল। পরে রাজনৈতিক প্রভাব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর সম্পত্তিও দ্রুত বৃদ্ধি পায়। তাঁদের দাবি, বর্তমানে শতাধিক বিঘা জমির মালিক তিনি। রাজু ও টনির কথায়, ‘‘প্রভাবের কারণে এতদিন কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলতে সাহস পায়নি। এখন গ্রেপ্তারির পর অনেক কথাই সামনে আসছে।’’





