Thursday, March 19, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

ভোটের আগে সন্দেশখালির শাহজাহানকে জামিন দিল না হাই কোর্ট! সাক্ষীদের ভয় দেখানোর অভিযোগ রয়েছে প্রাক্তন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

খারিজ আর্জি। ২০২৪ সালের গোড়ার দিকে, ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতির তদন্তে সন্দেশখালিতে হানা দিয়েছিল ইডি। গন্তব্য ছিল শাহজাহানের বাড়ি। সেখানেই ইডির আধিকারিকদের উপর চড়াও হন গ্রামবাসীদের একাংশ। জামিন পেলেন না প্রাক্তন তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখ। সন্দেশখালিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর আধিকারিকদের উপরে হামলার মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত তিনি। ওই মামলাতেই জামিন চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন জেলবন্দি শাহজাহান। তবে সেই আবেদন খারিজ করে দিল হাই কোর্ট। সিবিআইয়ের বক্তব্য, এই মামলায় সাক্ষীদের ভয় দেখানোর অভিযোগ রয়েছে শাহজাহানের বিরুদ্ধে। হাই কোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ রায়ের বেঞ্চ বৃহস্পতিবার শাহজাহানের জামিন মামলার রায় ঘোষণা করেছে। বিচারপতি তাঁর জামিনের আর্জি খারিজ করে দেন। সিবিআইয়ের আইনজীবী অমাজিৎ দে জানান, সাক্ষীদের উপর ভয় দেখানোর অভিযোগ রয়েছে শাহজাহানের বিরুদ্ধে। তবে আদালত জানিয়েছে, এই মামলার তদন্তে নতুন যে সব তথ্য উঠে আসবে, তার ভিত্তিতে নতুন করে জামিনের আবেদন করতে পারবেন শাহজাহান। ২০২৪ সালের গোড়ার দিকে, ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতির তদন্তে সন্দেশখালিতে হানা দিয়েছিল ইডি। গন্তব্য ছিল শাহজাহানের বাড়ি। সেখানেই ইডির দল এবং তাঁদের সঙ্গে থাকা আধাসেনা জওয়ানদের উপর চড়াও হন গ্রামবাসীদের একাংশ। অভিযোগ, ইডির উপর চড়াও হওয়া ওই উন্মত্ত জনতা ছিল শাহজাহানেরই অনুগামী। ইডির উপর হামলার ওই ঘটনার পর এলাকাছাড়া ছিলেন শাহজাহান। রাজ্য পুলিশই গ্রেফতার করে শাহজাহানকে। পরবর্তী সময়ে ইডির উপরে হামলার ঘটনার তদন্তভার যায় অপর কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআই-এর হাতে। সেই সময় শাহজাহানকেও তুলে দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে। বর্তমানে তিনি বন্দি রয়েছেন কলকাতায় প্রেসিডেন্সি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে। সন্দেশখালির সরবেড়িয়ায় শাহজাহানের বাড়িতে গিয়ে উন্মত্ত জনতার আক্রমণের মুখে পড়েছিলেন ইডি আধিকারিকেরা। গুরুতর আহত হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল তিন ইডি আধিকারিককে। পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের কাছ থেকে ফোন, ল্যাপটপ এবং নগদ টাকা কেড়ে নেওয়ার অভিযোগও ওঠে। ওই ঘটনার পর ন্যাজাট থানার পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে। পরে ইডিও একটি অভিযোগ জানায় ওই থানায়। শাহজাহানের বাড়ির কেয়ারটেকারও ইডির বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করেন।

তৃণমূলের ‘তাজা নেতা’র ইস্তফা!‌ শাহজাহানের নাম এখন তৃণমূল আর নেয়? ওদের দলে এরকম অনেক রয়েছে, যাদের ব্যবহারের পর ফেলে দেওয়া হয়, বলেন নওশাদ সিদ্দিকী। বাংলার হাই-ভোল্টেজ ভোটের আগে তিনি কি অবসর গ্রহণের কথা ভাবছেন? রাজনীতির কারবারিরা সেই দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে না। সূত্রের খবর, আজই অর্থাৎ সোমবার ফুরফুরা শরিফ যাচ্ছেন আরাবুল। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামিকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার ISF-এ যোগ দেবেন তৃণমূলের এককালের ‘তাজা নেতা’ আরাবুল ইসলাম। যদিও এই নিয়ে তিনি এখনও মুখ খুলতে নারাজ। প্রাক্তন বিধায়কের কথায়, “এখন কিছু বলব না, পরিস্থিতি আসুক বলব। তবে একটা কথা বলতে পারি, দু-একদিনের মধ্যে যা হওয়ার হবে।” ভোটের আগে তৃণমূলের অন্দরে ‘অভিমানী নেতার’ নজির কম নেই। সর্বোপরি সাসপেন্ড ও বহিষ্কারের জেরে কয়েকবছর ধরেই দলের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে আরাবুলের। এককালে ভাঙড়ে দাপিয়ে বেরিয়েছেন তিনি। সূত্রের খবর, এবার সেই ভাঙড় থেকে আইএসএফ-কে সরাতে শওকত মোল্লাকে তুলে ধরতে পারে তৃণমূল। যদিও দলীয় তরফে এই বিষয়ে সিলমোহর দেওয়া হয়নি। কষ্টের জায়গা একটাই, দল তাঁকে বুঝল না! এই বলেই তৃণমূল থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভাঙড়ের প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুল ইসলামের। সোমবার তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, “আরাবুল ইসলামকে তাঁরা বুঝল না। পাঁচ বার কেস খেয়েছি, তিনবার বহিষ্কার হয়েছি। সেই কারণে মনের দুঃখে তৃণমূল থেকে ইস্তফা দিচ্ছি।” যদিও মুখে ইস্তফার কথা বললেও, আনুষ্ঠানিক ভাবে এখনও পর্যন্ত তেমন কোনও খবর পাওয়া যায়নি। ভোটের আগে তৃণমূলের অন্দরে ‘অভিমানী নেতার’ নজির কম নেই। সর্বোপরি সাসপেন্ড ও বহিষ্কারের জেরে গত কয়েকবছর ধরেই দলের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে আরাবুলের। এককালে ভাঙড়ে দাপিয়ে বেরিয়েছেন তিনি। সূত্রের খবর, এবার সেই ভাঙড় থেকে আইএসএফ-কে সরাতে শওকত মোল্লাকে তুলে ধরতে পারে তৃণমূল। যদিও দলীয় তরফে এই বিষয়ে সিলমোহর দেওয়া হয়নি। শুধু সাসপেন্ড-বহিষ্কার কি আসল কারণ? সূত্রের খবর, সাম্প্রতিককালে পরপর বিতর্কে জড়িয়ে তৃণমূলের অন্দরে গুরুত্ব হারিয়েছেন আরাবুল ইসলাম। এমনকি, শওকতের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষের জেরেও অনেকটাই ব্যাকফুটে পড়তে হয়েছে তাঁকে। এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভাল, গত পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়ে ভাঙড়ের দলীয় পর্যবেক্ষক শওকত মোল্লার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন প্রাক্তন বিধায়ক। এমনকি, তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে শওকত গোষ্ঠী বনাম আরাবুল গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব আলাদাই মাত্রা নেয়। এরপরেই দলে ‘কোণঠাসা’ হতে শুরু করেন আরাবুল। অবশেষে ‘গুরুত্বহীন’ হয়ে একেবারে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত। বাংলার হাই-ভোল্টেজ ভোটের আগে তিনি কি অবসর গ্রহণের কথা ভাবছেন? রাজনীতির কারবারিরা সেই দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে না। সূত্রের খবর, আজই অর্থাৎ সোমবার ফুরফুরা শরিফ যাচ্ছেন আরাবুল। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামিকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার ISF-এ যোগ দেবেন তৃণমূলের এককালের ‘তাজা নেতা’ আরাবুল ইসলাম। যদিও এই নিয়ে তিনি এখনও মুখ খুলতে নারাজ। প্রাক্তন বিধায়কের কথায়, “এখন কিছু বলব না, পরিস্থিতি আসুক বলব। তবে একটা কথা বলতে পারি, দু-একদিনের মধ্যে যা হওয়ার হবে।”

উদ্ধার তৃণমূলের বুথ সভাপতির রক্তাক্ত দেহ!‌ দু’হাতের কব্জি কাটা, বিবস্ত্র উত্তর ২৪ পরগনার মশিউরের! রাত ৯টা নাগাদ একটি ফোন এসেছিল মশিউরের। ওই ফোন পাওয়ার পরই তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। সেই থেকে মশিউরের কোনও খোঁজ পাচ্ছিলেন না পরিবারের সদস্যেরা। উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়ায় উদ্ধার হল তৃণমূলের বুথ সভাপতির রক্তাক্ত দেহ। মৃত মশিউর কাজির (৩৮) বাড়ি দেগঙ্গার চাপাতলা পঞ্চায়েতের গাংনিয়া গ্রামে। বৃহস্পতিবার সকালে হাড়োয়া থানা এলাকার ঝুজুরগাছা গ্রামে রাস্তার পাশে তাঁর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। মশিউরের দুই হাতের কব্জি কাটা। দেহের একাধিক জায়গায় ক্ষত রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর ফলে ওই ক্ষত তৈরি হয়েছে। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছে। হস্পতিবার সকালে হাড়োয়ার ওই এলাকার বাসিন্দারাই প্রথমে মশিউরের দেহটি দেখতে পান। রাস্তার ধারে পড়ে ছিল দেহটি। সকালে সেই পথ দিয়ে যাওয়ার সময়েই দেহটি দেখতে পান তাঁরা। পাতলা একটি কম্বলে জড়িয়ে ফেলে রাখা হয়েছিল দেহ। বিষয়টি নজরে আসার পরেই হাড়োয়া থানায় খবর দেন এলাকাবাসীরা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। প্রথমে হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় দেহটি। পরে ময়নাতদন্তের জন্য সেটি বসিরহাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে, খুন করা হয়ে থাকতে পারে মশিউরকে। মৃতের পরিবারের দাবি, বুধবার রাত ৯টা নাগাদ একটি ফোন এসেছিল মশিউরের। ওই ফোন পাওয়ার পরই তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। সেই থেকে মশিউরের কোনও খোঁজ পাচ্ছিলেন না পরিবারের সদস্যেরা। তাঁর মোবাইলও ‘সুইচ‌্ড অফ’ আসছিল বলে দাবি পরিবারের। সারারাত খোঁজাখুঁজির পরে বৃহস্পতিবার সকালে হাড়োয়া থানা এলাকায় দেহ উদ্ধারের খবর পায় পরিবার। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সম্ভাব্য সব দিক খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে হাড়োয়া থানা। মশিউরের বাড়ি গাংনিয়ার ১৭৮ নম্বর বুথ এলাকায়। সেখানে তৃণমূলের বুথ সভাপতি তিনি। কী কারণে তাঁর মৃত্যু হল, তা স্পষ্ট নয় পরিবারের সদস্যদের কাছে। এই ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক কোনও যোগ থাকতে পারে বলেও দাবি করছেন মৃতের দাদা মোতালেব কাজি। তাঁর বক্তব্য, মশিউরের দু’টি হাতের কব্জি কেটে নেওয়া হয়েছে। গায়ে একাধিক জায়গায় ধারালো অস্ত্রের কোপ রয়েছে। দেহ যাতে শনাক্ত করা না যায়, সেই জন্য মুখে অ্যাসিড ঢেলে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি মৃতের দাদার। তাঁর সন্দেহ, মৃত্যুর পরে দেহটি কম্বলে মুড়িয়ে হাড়োয়া থানা এলাকার ঝুজুরগাছায় ফেলে দেওয়া হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles