Tuesday, March 17, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

বাংলায় প্রতি দফার ভোটে ২ হাজার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী! কড়া নিরাপত্তার বাংলার ভোট করাতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন

রাজ্যে ভোটের সময় প্রায় আড়াই লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকতে পারে। ধাপে ধাপে আসতে পারে আড়াই হাজার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী! এমনও কথা নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে। রাজ্যে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে। রাজ্যে ভোটের সময় প্রায় আড়াই লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকতে পারে। ধাপে ধাপে আসতে পারে আড়াই হাজার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী! এমনও কথা নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে। কড়া নিরাপত্তার বাংলার ভোট করাতে বধ্যপরিকর কমিশন। বাংলায় দুই দফায় ভোট হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে কমিশনের কড়া নজরদারিতে এবার ভোট হবে। সেই কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রতি দফায় দুই থেকে আড়াই হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনী এবার উপস্থিত থাকবে। সেই কথা প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। সিইও অফিসে ইন্টিগ্রেটেড কন্ট্রোল রুম থাকবে। ডিইও-তেও কন্ট্রোল রুম থাকবে। সেখান থেকে নির্বাচনের সময় নজরদারি চলবে। কোথাও কোনও অশান্তি হলে, ভোট সংক্রান্ত অভিযোগ উঠলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। ভোটে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা ও নির্ভুল ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য একাধিক পদক্ষেপ করার পথে কমিশন। কমিশনের বক্তব্য, নির্বাচনের মূল লক্ষ্য হল আইনশৃঙ্খলা বজায় রেখে অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করা। সেই কারণে ভোট প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি স্তরে দায়বদ্ধতা নির্দিষ্ট করা হচ্ছে। যে কোনও ধরনের অনিয়ম বা বেআইনি কার্যকলাপের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, প্রতি দফায় প্রতি জেলায় দুজন পুলিশ পর্যবেক্ষক থাকবেন এবং কমিশনারেটে দু’জন পুলিশ পর্যবেক্ষক থাকবেন। ভোটকে কেন্দ্র করে ভুয়ো তথ্য ছড়ানো রুখতেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে ইন্টারনেট মাধ্যমের উপর নজরদারি রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১২ কোটি টাকার জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে নগদ টাকাও রয়েছে। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থাতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বুথ স্তরে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। যাতে কোনও ভোটারকে ভয় দেখানো বা বাধা দেওয়ার মতো ঘটনা না ঘটে।ভোটকর্মী এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রত্যেক সদস্যের ছবি সংরক্ষণ করা হবে। হার্ড কপি ও সফট কপি থাকবে, যাতে প্রয়োজনে দ্রুত শনাক্ত করা যায়। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে তিন স্তরের নজরদারি ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আকাশপথ থেকেও নজরদারি চালানো হবে বলে কমিশন সূত্রে খবর। কিছু সংবেদনশীল এলাকায় ড্রোন ব্যবহার করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। কোনও ভোটকেন্দ্রে ভয় দেখানো, হামলা বা অন্য কোনও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে, সেখানে পুনরায় ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। বুথে নিরাপত্তায় আরও কড়া হচ্ছে কমিশন। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। বুথস্তরে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হবে, যাতে কোনও ভোটারকে ভয় দেখানো বা ভোট দিতে বাধা দেওয়ার মতো ঘটনা না ঘটে। ৮৫ বছরের বেশি বয়সের অশীথিপররা বাড়িতে ভোট দিতে পারবেন। এছাড়াও ৪০ শতাংশের বেশি যারা বিশেষভাবে সক্ষম, তাঁদের জন্যও এই ব্যবস্থা থাকছে। সেজন্য ১২ডি ফর্ম আগে থেকে ফিলআপ করে কমিশনকে জানাতে হবে।

পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আরও বেশি দায়িত্ব নিতে হবে। জানালেন রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল। সতর্ক করা হয়েছে বাহিনীকে। সিইও জানান, যদি কোনও বুথের মধ্যে অশান্তি হয়, তবে তার দায় সিআরপিএফের। প্রতি দফায় ভোট করাতে কত করে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন, তারও আভাস দিলেন মনোজ। স্পষ্ট জানান, অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে বদ্ধপরিকর কমিশন। তার জন্য কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা-ও তুলে ধরেন তিনি। সেই বিষয়ে জানাতে গিয়েই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বাড়তি গুরুত্বের কথা বলে মনোজ বলেন, ‘‘সিআরপিএফ ঠিক ভাবে কাজ করবে। আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলছি। সিআরপিএফ কোনও সুবিধা নেবে না। জেলাশাসকদেরও তেমনই নির্দেশ দেওয়া হবে। সুবিধা নিলে তদন্ত হবে। অতীতে সুবিধা নেওয়ার জন্য সিআরপিএফ কর্মীর শাস্তি হয়েছে। তারা (সিআরপিএফ) কাজ করতে এসেছে। করবে। এখানে (পশ্চিমবঙ্গে) কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে কোনও অসুবিধা হবে না। সেই সময় অন্য রাজ্যের ভোট শেষ হয়ে যাবে। প্রত্যেক দফার জন্য ২,২০০-২,৩০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন হতে পারে। শান্তিতে ভোট করানোর জন্য যে কোনও ধরনের সাহায্য করবে কমিশন। আধিকারিকদের শুধু সাহায্য চাইতে হবে।সুষ্ঠু এবং অবাধ ভোট করাতে হবে সকলকে। দায়িত্বে গাফিলতি হলে পদক্ষেপ করা হবে। প্রতি বুথে ৩৬০ ডিগ্রি ওয়েব কাস্টিং হবে। তিন জায়গা থেকে এই ওয়েব কাস্টিং পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ড্রোনের মাধ্যমেও নজর রাখা হবে। রাজ্যে ২৯৪টি আসনের জন্য ২৯৪ জন জেনারেল অবজ়ার্ভার (সাধারণ পর্যবেক্ষক) নিয়োগ করা হবে। প্রতি পুলিশ জেলায় দু’জন করে অবজার্ভার থাকবে। ভোটার ইনফর্মেশন স্লিপে কিউআর কোড থাকবে। এর আগে রাজনৈতিকদল ওই স্লিপ দিত। এ বার বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি গিয়ে দিয়ে আসবেন। ৮৫ বা তার বেশি বয়সি ভোটারেরা বাড়ি থেকে ভোটদান করতে পারবেন। ওই ভোটারেরা বাড়িতে ১২ডি ফর্ম পূরণ করে ভোট দিতে পারবেন। বাড়িতে গিয়ে তাঁর ভোট নিয়ে আসা হবে।’’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles