Tuesday, March 17, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

পুরো ডিএ এখনই পাওয়া যাবে না!‌ ২০০৮ থেকে ২০১৫-র DA আপাতত বাদ

৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল সব বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে। অর্থ-দফতর জানিয়েছে, রাজ্যের কিছু আর্থিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ব্যয়ের জন্য সরকার ধাপে-ধাপে এই বকেয়া ডিএ মেটাবে। প্রথম ধাপে জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত ডিএ বকেয়া দেওয়া হবে। ভোট ঘোষণার ঠিক চল্লিশ মিনিট আগে সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ (DA) মিটিয়ে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মার্চ মাস থেকেই মিলবে বকেয়া ডিএ, জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নের অর্থদফতর সেই ডিএ নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করল। সরকারি কর্মচারি ডিএ পাবেন, তবে পুরোটা নয়। ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ সাল পর্যন্ত বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে। অর্থ দফতরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, দুই সমান কিস্তিতে দেওয়া হবে। প্রথম কিস্তি মিলবে ২০২৬ মার্চ মাসে। আর দ্বিতীয় কিস্তির টাকা মিলবে সেপ্টেম্বরে।

হিসাব কীভাবে করা হবে? বকেয়া ডিএ AICPI (All India Consumer Price Index) অনুযায়ী হিসাব করা হবে। মনিটারিং কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজন হলে এই অর্থের সমন্বয় করা হতে পারে। ২০০৮-২০১৫ সালের বকেয়া ডিএ কবে মিলবে? এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত বকেয়া ডিএ দেওয়ার পদ্ধতি পরে আলাদা করে জানানো হবে। Group A,B,C কর্মচারিদের টাকা GPF (General Provident Fund) অ্যাকাউন্টে জমা হবে। গ্রুপ-D কর্মচারিদের টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নগদ হিসেবে জমা হবে। পেনশনভোগীরা কীভাবে পাবেন? বর্তমান পেনশনভোগী ও ফ্যামিলি পেনশনভোগীদের বকেয়া সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নগদ জমা হবে। কলকাতার বাইরে যারা ট্রেজারি থেকে পেনশন নেন, তাদের টাকা সংশ্লিষ্ট ট্রেজারি থেকে দেওয়া হবে। কলকাতা অঞ্চলে যাঁরা ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পেনশন নেন, তাঁদের ক্ষেত্রে পেমেন্ট অথারিটি দিয়ে ব্যাঙ্কের মাধ্যমে টাকা দেওয়া হবে। যারা চাকরি ছেড়েছেন কিন্তু ২০১৬-২০১৯ সময়ে কিছুদিন সার্ভিস করেছেন, তারাও যোগ্য সময়ের জন্য DA বকেয়া পাবেন। জন্য তাদের শেষ অফিসের Head of Office (HOO)-এর কাছে আবেদন করতে হবে। যদি কোনও কর্মচারী মৃত হয়ে থাকেন, তাহলে তাঁর নমিনি বা বৈধ উত্তরাধিকারী এই বকেয়া পাওয়ার অধিকারী হবেন। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য চন্দন চট্টোপাধ্যায় বলেন, “রাজ্য সরকার যা করল তা আদালত অবমাননা। এই টাকাও দেবে GPF অ্যাকাউন্টে। এই টাকা তো আমরা ব্যালেন্সেই দেখতে পাব না দুবছর। তোলা তো অনেক পরে। সম্পূর্ণ ভাঁওতা রেখে সরকার এটা করেছে। খুব শীঘ্রই সরকারি কর্মচারিরা রাস্তায় নামতে পারি।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles