নবান্নের বৈঠকে তাঁর নির্দেশ, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দ্রুত উপভোক্তাদের সমস্যার নিষ্পত্তি করতে হবে। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর জানান রাজ্যে আর মাত্র কয়েকদিন পরই ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে যাবে। তার ফলে রাজ্যে আদর্শ আচরণবিধি চালু হয়ে যাবে। তাই রাজ্যের বিভিন্ন নতুন প্রকল্পের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের খেতমজুরদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের কাজও দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ অনুযায়ী চলতি মাস থেকে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করেছে যুবসাথীর টাকা। তবে অনেকের দাবি, অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস ‘সাকসেসফুল’ দেখাচ্ছে। মেসেজ পেয়েছেন। তা সত্ত্বেও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢোকেনি এক পয়সাও। এই অভিযোগগুলি গুরুত্ব দিয়ে দেখার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর। রাজ্য বাজেটে বেকারদের জন্য যুবসাথী প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। তার ফলে প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টে ঢোকার কথা। তবে যুবসাথীতে আবেদনের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি শর্ত বেঁধে দেয় রাজ্য সরকার। ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সিরা আবেদন করেন। যাঁরা রাজ্য সরকারের অন্য কোনও জনমুখী প্রকল্পের আওতায় তাঁরা টাকা পাবেন না বলেই জানানো হয়। প্রকল্পের কথা ঘোষণার সময় জানানো হয়, এপ্রিল থেকেই মিলবে এই প্রকল্পের সুবিধা। এসআইআরের প্রতিবাদে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধরনার দ্বিতীয় দিনে মমতা জানান, এপ্রিল নয়, ৭ মার্চ থেকেই আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা। প্রাথমিকভাবে আগামী পাঁচ বছর প্রতিমাসে এই টাকা পাবেন আবেদনকারীরা। তারপরও যদি কেউ বেকার থাকেন, সেক্ষেত্রে রিভিউ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর সিংহভাগ আবেদনকারীর অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে গিয়েছে। যুবসাথীর টাকা পেয়ে তাঁরা যথেষ্ট খুশি। তবে অনেকেরই অভিযোগ, মেসেজ পেলেও, অ্যাকাউন্টে ঢোকেনি ভাতা। এই সমস্যার দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।





