দাম্পত্যে প্রেম অটুট থাকা সৌভাগ্যের ব্যাপার। কারণ বিবাহিত জীবনে সকলে সুখী হন না। অনেক সম্পর্কই ভালবাসার অভাবে ভেঙে যায়। যাঁরা প্রেম করে বিয়ে করেন, তাঁদের অনেকের কাছেই শোনা যায় যে সম্পর্কে আর আগের মতো প্রেম নেই। যাঁদের এ সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় না, তাঁদের ভাগ্যের প্রশংসা করতেই হয়। তবে সঙ্গীর প্রতি থাকা টানের বশে আমরা নানা ভুল কাজ করে বসি, যার ফলে আমাদের ভাগ্যের উপর কুপ্রভাব পড়ে। সেগুলির মধ্যে একটি হল স্বামী-স্ত্রীর একই থালায় খাবার খাওয়া। এটিকে বহুলপ্রচলিত ভুল বললেও বাড়িয়ে বলা হবে না। অনেক বাড়িতেই দেখা যায় যে স্বামী-স্ত্রী একই থালা থেকে খাবার খেয়ে নিচ্ছেন। কেউ ভালবেসে করেন, কেউ আবার বেশি বাসন বাড়াব না সেই ভাবনায় করে থাকেন। উদ্দেশ্য যা-ই হোক, এই কাজ করা উচিত নয়। অনেক সময় খাবার খেতে বসে নানা অপ্রীতিকর ঘটনা আমাদের সঙ্গে ঘটে। এর ফলে আমাদের মেজাজও খারাপ হয়ে যায়। এর মধ্যে একটি হল খাবারে চুল পড়া। এই বিষয়টি অনেকেই পছন্দ করেন না। সঙ্গে সঙ্গে খাবার বদলে দিতে হয়। অনেকে আবার খাবার থেকে চুল তুলে ফেলে দিয়ে সেই খাবারটাই পুনরায় খেয়ে নেন। জ্যোতিষমতে, খাবারে চুল পড়া অতটা সাধারণ বিষয় নয়, যতটা আমরা মনে করি। শাস্ত্রে এই বিষয়ে নানা মতামতের উল্লেখ রয়েছে। সেগুলি অবশ্যই মেনে চলা উচিত।
খাবারে চুল পড়া: খাবারে যদি কোনও ভাবে চুল পড়ে যায়, তা হলে কোনও মতেই সেই খাবারটা খাওয়া উচিত নয়। এতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ঝগড়া-অশান্তি হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া সেই ব্যক্তিকে দারিদ্র ঘিরে ধরে। তাই চুল পড়া খাবার কোনও মতেই খাওয়া উচিত নয়।
খাবার ডিঙিয়ে যাওয়া: এক বার যদি কেউ কোনও খাবার ডিঙিয়ে চলে যায়, তা হলে সেই খাবার আর খাওয়া উচিত নয়। সেই খাবার দ্রুত ফেলে দিতে হয়। খাবার ডিঙোনো অশুভ কাজ হিসাবে গণ্য করা হয়। ডিঙিয়ে যাওয়া খাবার খেলে সংসারে অবনতি আসে।
অশান্তি বৃদ্ধির আশঙ্কা: বাস্তুশাস্ত্র জানাচ্ছে, স্বামী-স্ত্রী যদি নিয়মিত একই থালায় খাবার খান, তা হলে বাড়িতে নেগেটিভ শক্তির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, যার প্রভাব সংসারের উপর পড়ে। এর ফলে ঝগড়া-অশান্তি লেগেই থাকে।
পারিবারিক ভারসাম্য নষ্ট হয়: পরিবারে স্বামী-স্ত্রীর যেমন একে অপরের প্রতি দায়িত্ব রয়েছে, তেমনই বাড়ির বাকি সদস্যদের প্রতিও সমান দায়িত্ব আছে। স্বামী-স্ত্রী একই থালায় খাবার খেলে সেই দায়িত্ব লোপ পায়, এর ফলে পারিবারিক ভারসাম্য নষ্ট হয়। সেই কারণে একই থালা থেকে খাবার খাওয়া উচিত নয় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র।
আর্থিক সঙ্কট: নেগেটিভ শক্তি বৃদ্ধির ফলে আয়ের উপর প্রভাব পড়ে। এর ফলে অর্থহানির আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। টাকাপয়সার টানাটানি দিন দিন বাড়তে থাকে। মাঝেমধ্যে একই থালা থেকে খাবার খাওয়া যেতেই পারে, তবে প্রতি দিন এ কাজ করলে এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।





