Monday, March 9, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

বিশ্বজয় করে নজর অলিম্পিক পদকে! বুমরাহকে ‘জাতীয় সম্পদ’ বললেন সূর্যকুমার

সূর্যকুমার যাদব। বিশ্বজয়ী অধিনায়ক। কপিল দেব, মহেন্দ্র সিং ধোনি, রোহিত শর্মার পাশে এখন সূর্যের নাম। তবে ১২ বছর আগের মানুষ। যখন তিনি স্ট্রাগল করছেন। আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সিতে তখনও নামডাক হয়নি। জাতীয় দলের দরজা বহু দূর। সেই সময়ের নিজের একটি ছবি পোস্ট করেছেন সূর্য। ২০১৪ সালের সেই ছবিতে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘বন্ধুরা, পেট্রোল পাম্পের উদ্বোধনে এসেছি। আজ খুব খুশি।’ নিজের ক্রিকেট-জীবনে সূর্য কম উত্থান-পতন দেখেননি। আহমেদাবাদে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনাল তিনি খেলেছিলেন। কিন্তু সেদিন স্বপ্নভঙ্গের বেদনা নিয়ে ফিরতে হয়। আর এবার সেই মাঠেই বিশ্বজয়ী হলেন। একযুগ পার করে সেই ছবিটা ফিরে দেখলেন সূর্য। ওই ছবিটাই শেয়ার করার সঙ্গে বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে নিয়ে তিনি লিখলেন, ‘এই লোকটার জন্য খুব খুশি।’ তার সঙ্গে আরেকটি পোস্টে সূর্য লিখেছেন, ‘এই দলটা একটা পরিবার। এটা কোনও ট্রফি নয়, এটা কোটি কোটি মানুষের স্বপ্ন। এই দলটার জন্য গর্বিত। দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরেও গর্বিত। যারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছে, তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই।’সূর্যর চিরাচরিত স্বভাব হাস‌্যকৌতুকে জমিয়ে দেওয়া। ভারত অধিনায়ক ‘স্পট’ খুঁজে সুদৃশ্য বিশ্বকাপ ট্রফিটা রাখলে বেশি ঝকঝক করবে! আলো যেখানে বেশি পড়বে! আর কী বললেন স্কাই? অধিনায়ক হিসেবে জীবনের প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার পর সূর্যকুমার যাদবের পরবর্তী চাঁদমারি কী? খুব সহজ– লস অ‌্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকের স্বর্ণপদক! আহমেদাবাদের ‘কলঙ্ক’ ঘুচিয়ে তৃতীয়বার ভুবনজয়ী টিম ইন্ডিয়া আয় বিশ্ব দেখে যা, চ্যাম্পিয়নের ক্ষমতা! আহমেদাবাদের ‘কলঙ্ক’ ঘুচিয়ে তৃতীয়বার ভুবনজয়ী টিম ইন্ডিয়া বিশ্বচ‌্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ট্রফি নিয়ে প্রেস কনফারেন্স করতে আসেন ভারত অধিনায়ক। সঙ্গে টিমের হেডকোচ গৌতম গম্ভীর। সূর্যর চিরাচরিত স্বভাব হল, হাস‌্যকৌতুকে যে কোনও সাংবাদিক সম্মেলন জমিয়ে দেওয়া। যার অন‌্যথা হল না। সাংবাদিক সম্মেলন কক্ষে ভারত অধিনায়ক ঢুকে সেই ‘স্পট’ খুঁজতে থাকেন, যেখানে সুদৃশ‌্য বিশ্বকাপ ট্রফিটা রাখলে বেশি ঝকঝক করবে! আলো যেখানে বেশি পড়বে!

“ভেতরে ভেতরে কী যে চলছে আমার, বলতে পারব না। অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আগামিকাল হয়তো বুঝতে পারব। একটা দিন লাগবে বোধহয় পুরোটা আত্মস্থ করতে, সব টিম বিশ্বকাপ জিতবে ভেবেই টুর্নামেন্ট খেলতে নামে। প্রথম থেকে আমাদেরও তাই টার্গেট ছিল। বিশ্বকাপ জেতা। লোকে বলছিল, কোনও টিম পরপর দু’বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতেনি। বলছিল, দেশের মাটিতে কেউ কখনও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতেনি। তাই দেশের মাটিতে বিশ্বজয়ের বাসনা এরকটা ছিল। গত একটা মাস স্বপ্নের মতো গেল বলতে পারেন। একটা টিম হিসেবে আমরা চলেছি। দারুণ ক্রিকেট খেলেছি। আমাদের টার্গেট ২০২৮ লস অ‌্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকের পদক জেতা। তার পর পরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আরে আপনারাই তো বলছিলেন যে, তিনশো করো, তিনশো করো। তা, আমরা চেষ্টা করছিলাম তিনশো করার। তাই আড়াইশো পর্যন্ত যেতে পারলাম। সবার আগে টিম কী চাইছে, টিমের কী চিন্তাভাবনা সেটা জানা-বোঝা দরকার। আমরা সবাই মিলে বসে সেটা ঠিক করেছি প্রথমে। আর টস বলছেন? আমরা প্রথমেই ঠিক করেছিলাম যে, টস-শিশিরের মতো ফ‌্যাক্টরকে সবার আগে সমীকরণ থেকে সরিয়ে দেব। আমরা প্রত‌্যেকে যথেষ্ট ক্রিকেট খেলেছি। আইপিএল খেলেছি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছি। তাই টস-শিশিরের মতো ব‌্যাপারস‌্যাপার কী ভাবে সামলাতে হয়, জানি আমরা। আসলে ক্রীড়াবিদের জীবনই এ রকম। ২০২৩ সালের পর ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতি আমরা। ফাইনালে একটা ক‌্যাচ নিয়েছিলাম আমি। যা আমার জীবনই বদলে দেয়। তার পর টিমকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়ভার ওঠে আমার হাতে। আমি জানতাম, দু’বছরের মধ‌্যে দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ রয়েছে। আর কোনও টিম দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলা সব সময়ই আলাদা আনন্দের। আমিও টিমকে বলি যে, দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলার উত্তেজনা অনুভব করো। লোকে তোমার থেকে প্রত‌্যাশা করবে। যা থেকে তুমি ভরপুর আনন্দও পাবে। আমরা সেই উত্তেজনাকে সঙ্গী করে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছিলাম। আর ঠিক যে ভাবে বিশ্বকাপটা খেলতে চেয়েছিলাম, সে ভাবে খেলেই চ‌্যাম্পিয়ন হতে পেরেছি। আগের দিন সঞ্জু বলেছিল, বুমরাহের মতো বোলার এক প্রজন্মে একজনই হয়। বুমরাহ জাতীয় সম্পদ। ওর কর্তব্য সম্পর্কে সব সময় সচেতন ও।” বলেন সূর্যকুমার। আসলে ক্রীড়াবিদের জীবনই এ রকম। ২০২৩ সালের পর ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতি আমরা। ফাইনালে একটা ক্যাচ নিয়েছিলাম আমি। যা আমার জীবনই বদলে দেয়। তার পর টিমকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়ভার ওঠে আমার হাতে। আমি জানতাম, দু’বছরের মধ্যে দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ রয়েছে। আর কোনও টিম দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলা সব সময়ই আলাদা আনন্দের। আমিও টিমকে বলি যে, দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলার উত্তেজনা অনুভব করো। লোকে তোমার থেকে প্রত্যাশা করবে। যা থেকে তুমি ভরপুর আনন্দও পাবে। আমরা সেই উত্তেজনাকে সঙ্গী করে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছিলাম। আর ঠিক যে ভাবে বিশ্বকাপটা খেলতে চেয়েছিলাম, সে ভাবে খেলেই চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছি।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles