Monday, March 9, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্যই ফাইনাল খেলতে নামেন কোচ গৌতমও!‌‌ ক্রিকেটার গম্ভীর কোনও দিন বিশ্বকাপ, আইপিএল ফাইনাল হারেননি!

গম্ভীরের দর্শন স্পষ্ট। দলে জায়গা পাবে পারফরম্যান্স, নাম নয়। সেই কারণেই দীর্ঘদিনের ব্যর্থতার পরে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার মতো বড় নামও দলে টিকে থাকতে পারেননি। আবার একসময় সম্ভাব্য বড় তারকা বলে মনে হওয়া শুভমন গিলও খারাপ ফর্মের কারণে বিশ্বকাপের দল থেকে বাদ পড়েন। এই কঠিন সিদ্ধান্তগুলো প্রথমে সমালোচনার ঝড় তুলেছিল। তবু নিজের পরিকল্পনা থেকে তিনি সরেননি। ২০২৬ সালের ৮ মার্চ ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে যেন এক নতুন অধ্যায় হিসেবে মনে রাখা হবে। টিমে বিরাট কোহলি নেই। একদা যুবরাজ সিংহের মতো কোনও মেজাজি ব্যাটারও নেই। জয়ের নেপথ্যে নেই কোনও একক ‘মহাতারকা’। বরং এদিন টি–২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে টিম ইন্ডিয়া এমন এক দল হিসেবে উঠে এল, যেখানে দলগত শক্তি, ধুরন্ধর প্ল্যানিং এবং কোচ গৌতম গম্ভীরের দর্শনই হয়ে উঠল মহাকাব্যিক জয়ের ভিত্তি। এই বিশ্বকাপ জয়ের ট্রফি হাতে তুলেছেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তবে তিনি সেই অর্থে কপিল দেব, মহেন্দ্র সিং ধোনি, সৌরভ গাঙ্গুলি বা বিরাট কোহলির মতো সর্বগ্রাসী ব্যক্তিত্ব নন। দলের মধ্যে হার্দিক পাণ্ড্য, জসপ্রীত বুমরাহ কিংবা অন্যদেরও নিজস্ব গুরুত্ব আছে, কিন্তু কেউই দলের উপরে নয়। এই দলটি যেন একটাই বার্তা দিয়েছে—এখানে ব্যক্তির চেয়ে বড় দল। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের অনেকের মতে, এই পরিবর্তনের নেপথ্যে সবচেয়ে বড় ভূমিকা গৌতম গম্ভীরের। দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় ক্রিকেটে ‘তারকা সংস্কৃতি’র সমালোচক তিনি। কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর গত দুই বছরে তিনি ধীরে ধীরে নিজের মতো করে দল গড়েছেন—কখনও কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে, কখনও অবহেলিত ক্রিকেটারদের সুযোগ দিয়ে।

গম্ভীরের দর্শন স্পষ্ট—দলে জায়গা পাবে পারফরম্যান্স, নাম নয়। সেই কারণেই দীর্ঘদিনের ব্যর্থতার পরে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার মতো বড় নামও দলে টিকে থাকতে পারেননি। আবার একসময় সম্ভাব্য বড় তারকা বলে মনে হওয়া শুভমন গিলও খারাপ ফর্মের কারণে বিশ্বকাপের দল থেকে বাদ পড়েন। এই কঠিন সিদ্ধান্তগুলো প্রথমে সমালোচনার ঝড় তুলেছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় সমর্থকদের একাংশের আক্রমণের মুখেও পড়তে হয়েছে গম্ভীরকে। তবু নিজের পরিকল্পনা থেকে তিনি সরেননি। বরং বারবার সুযোগ দিয়েছেন এমন ক্রিকেটারদের, যাদের প্রতিভা থাকলেও আলোচনায় খুব বেশি জায়গা পায়নি। এই দলের গঠনে কয়েকটি বিষয় স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে—বেশ কয়েকজন বাঁহাতি ব্যাটার, বহু অলরাউন্ডার এবং এমন এক অধিনায়ক, যিনি দলের সঙ্গে মানিয়ে চলেন। সব মিলিয়ে দলটি যেন গম্ভীরের ক্রিকেট দর্শনের প্রতিফলন। গম্ভীরের চিন্তাভাবনার একটা দিক বোঝা যায় তাঁর ব্যক্তিগত অনুপ্রেরণা থেকেও। তিনি প্রায়ই বিপ্লবী ভগৎ সিংয়ের জীবন পড়েন এবং তাঁর প্রিয় নায়ক কার্তার সিং সারাভার কথা উল্লেখ করেন—একজন প্রায় ভুলে যাওয়া স্বাধীনতা সংগ্রামী। গম্ভীর মনে করেন, ইতিহাস যেমন অনেক সময় কিছু মানুষকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেয় আর অনেককে ভুলে যায়, তেমনই ক্রিকেটেও অনেক প্রতিভা আলোচনার বাইরে থেকে যায়। সম্ভবত সেই কারণেই গম্ভীর সবসময় ‘আন্ডারডগ’দের পাশে দাঁড়াতে চান। খেলোয়াড়দের উপর তাঁর এই আস্থা অনেক সময় বড় ফল দিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে ধরা যায় অভিষেক শর্মাকে। টুর্নামেন্টে শুরুতে ব্যর্থ হলেও ফাইনালে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন তিনি। আবার সমালোচনা সত্ত্বেও সঞ্জু স্যামসনের মতো ক্রিকেটারদের উপর আস্থা রেখেছেন গম্ভীর। কোচ হিসেবে গম্ভীরের এই দৃষ্টিভঙ্গিই ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন এক সংস্কৃতির সূচনা করে দিল। অতীতে ভারতীয় দলকে চিহ্নিত করা হত বড় ক্রিকেটারদের নামে—‘কপিলস ডেভিলস’, ‘ধোনির আর্মি’ বা ‘রোহিতের দল’। কিন্তু এই দলটি যেন সেই ধারণাকেই বদলে দিয়েছে। অনেকের মতে, আজকের এই বিশ্বকাপ জয় শুধু একটি ট্রফি নয়। এটি ভারতীয় ক্রিকেটকে মনে করিয়ে দিয়েছে—তারকার ঝলক ছাড়াও সাফল্য সম্ভব। সঠিক পরিকল্পনা, দৃঢ় নেতৃত্ব এবং সমান সুযোগ পেলে একটি দল কতটা শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে, তারই প্রমাণ গম্ভীরের গড়া এই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত।

ক্রিকেটার হিসাবে যে ধারাবাহিকতা দেখিয়েছিলেন, কোচ হিসাবেও তা বজায় রাখলেন গৌতম গম্ভীর। তিনি আরও এক বার দেখালেন, ফাইনালে জেতার জন্যই মাঠে নামেন তিনি। ভারতের কোচ হিসাবে দু’বছরে দু’টি আইসিসি ট্রফি জিতলেন তিনি। গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর এ বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এল তাঁর ঝুলিতে। শুরুটা হয়েছিল ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। প্রথম বার কুড়ি-বিশের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেই পাকিস্তানকে হারিয়েছিল ভারত। সেই ম্যাচে ৭৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন গম্ভীর। চার বছর পর ২০১১ সালের এক দিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছিল ভারত। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রান তাড়া করতে নেমে ৯৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছিলেন বাঁহাতি ব্যাটার। জাতীয় দলের এই সাফল্য আইপিএলেও বজায় ছিল। কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক হওয়ার পর ২০১২ ও ২০১৪ সালের আইপিএল জিতেছিলেন তিনি। তার পর দীর্ঘ দিন ছিল খরা। সেই খরা কাটান মেন্টর গম্ভীর। কেকেআরের মেন্টর হওয়ার পর ২০২৪ সালে দলকে আবার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন করেন। সেই সাফল্য তাঁকে ভারতীয় দলের কোচের পদে বসায়। নতুন ভূমিকাতেও সফল গম্ভীর। গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অপরাজিত থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। সেই ট্র্যাডিশন এ বারেও বজায় থাকল। রবিবার অহমদাবাদের মাঠে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হল ভারত। গম্ভীর দেখিয়ে দিলেন, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্যই ফাইনাল খেলতে নামেন।

আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ানে ইতিহাস লিখল টিম ইন্ডিয়া। ফাইনালে ২৫৫ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিলেও শেষ পর্যন্ত জসপ্রীত বুমরার আগুনে স্পেল ও ভারতের শৃঙ্খলাবদ্ধ বোলিংয়ের সামনে ভেঙে পড়ল নিউজিল্যান্ড। পরপর ইয়র্কারে কিউইদের ব্যাটিং লাইন-আপ ধসিয়ে দিয়ে ম্যাচ কার্যত শেষ করে দেন বুমরাহ। আর তাই হর্ষে আনন্দে আন্দোলিত করে তুলল আহমেদাবাদের স্টেডিয়াম। আরও একবার বিশ্বজয়ের মুকুট পরল টিম ইন্ডিয়া। ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেন ব্যাট হাতে সঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা। শুরু থেকেই কিউই বোলারদের ওপর ঝড় তোলেন তাঁরা। পাওয়ারপ্লেতেই রেকর্ড ৯২ রান তুলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন দুই ওপেনার। স্যামসনের ৮৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস এবং ঈশান কিশনের দ্রুত অর্ধশতকে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২৫৫ রান তোলে ভারত। পরে বল হাতে অক্ষর প্যাটেল, বুমরাহ ও অন্য বোলাররা ধারাবাহিকভাবে উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচকে ভারতের নাগালের মধ্যেই রেখে দেন এবং শেষ পর্যন্ত কিউইদের প্রতিরোধ ভেঙে বিশ্বকাপ ট্রফি তুলে দেন টিম ইন্ডিয়ার হাতে। শেষ পর্যন্ত সবকিছু থামল ভারতের উৎসবে। নিউজিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার টি-২০ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হল ভারত। শেষ উইকেটটি তুলে নেন অভিষেক শর্মা, আর লং-অন বাউন্ডারিতে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন তিলক বর্মা। মুহূর্তেই স্টেডিয়াম জুড়ে শুরু হয় উদ্‌যাপন। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জয়ের এই স্মরণীয় রাতে ভারতীয় দল প্রমাণ করে দিল টি-২০ ইতিহাসের অন্যতম সেরা দল। কিউইদের সামনে লক্ষ্যটা এতটাই বড় হয়ে দাঁড়ায় যে ম্যাচ কার্যত একতরফাই হয়ে যায়। বিশাল রান তাড়া করতে নেমে প্রথম পাঁচ ওভারেই ফিন অ্যালেন, রাচিন রবীন্দ্র এবং গ্লেন ফিলিপসকে হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড। পরে মার্ক চ্যাপম্যানকে ফেরান হার্দিক পান্ডিয়া। টিম সাইফার্ট অবশ্য লড়াই চালিয়ে গিয়ে অর্ধশতরান করেন, কিন্তু তিনি আউট হতেই ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় কিউইরা। এরপর ধারাবাহিকভাবে উইকেট পড়তে থাকে। ড্যারিল মিচেলও অক্ষর প্যাটেলের শিকার হন। শেষ পর্যন্ত জসপ্রীত বুমরাহ চারটি উইকেট এবং অক্ষর প্যাটেল তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। ব্যাট হাতে ভারতীয় ব্যাটাররা যেন ঝড় তুলেছিলেন আহমেদাবাদের আকাশে। অভিষেক শর্মার ২১ বলে ঝোড়ো ৫২ এবং সঞ্জু স্যামসনের দুরন্ত ৮৯ রানের ইনিংসে কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়ে নিউজিল্যান্ডের বোলিং আক্রমণ। শক্তি আর শৈলীর মিশেলে স্যামসনের ব্যাট থেকে বেরিয়ে আসে একের পর এক বিশাল ছক্কা—লং-অন, স্কয়ার লেগ, সোজা মাঠের উপর দিয়ে উড়ে যায় বল। তাঁর সঙ্গে সমান তালে তাণ্ডব চালান ঈশান কিশন, মাত্র ২৫ বলে ৫৪ রান করে দলের স্কোরকে আরও উঁচুতে তুলে দেন। তিন ব্যাটারের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২৫৫ রানের পাহাড় গড়ে ফেলে ভারত। অভিষেক ও স্যামসনের ৪৩ বলে ৯৮ রানের উদ্বোধনী জুটি ম্যাচের শুরুতেই ভারতের আধিপত্য স্পষ্ট করে দেয়। পরে ঈশান কিশনের সঙ্গে ৪৮ বলে ১০৫ রানের জুটিতে ভারতের রান দুইশো পার হয়ে যায়। যদিও জিমি নিশামের এক ওভারে স্যামসন, কিশন ও সূর্যকুমার যাদব আউট হয়ে খানিকটা ধাক্কা খায় ভারত, ততক্ষণে ম্যাচের রাশ পুরোপুরি ভারতের হাতে চলে এসেছে। শেষদিকে শিবম দুবের ঝোড়ো ক্যামিও ভারতের স্কোরকে ২৫০–এর অনেক ওপরে পৌঁছে দেয় এবং সেই রানই শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জয়ের মঞ্চ তৈরি করে দেয় ভারতের জন্য।

সমালোচনা, প্রশ্ন আর পাহাড়প্রমাণ চাপ সব কিছুর জবাব দিলেন মাঠেই। টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো হাই-ভোল্টেজ মঞ্চে ব্যাট হাতে টর্নেডো তুললেন ভারতের তরুণ ওপেনার অভিষেক শর্মা। নিউজিল্যান্ডের বোলারদের নাস্তানাবুদ করে মাত্র ১৮ বলে ৫০ রান পূর্ণ করে ইতিহাস গড়লেন। বিধ্বংসী ইনিংসের মাধ্যমে অভিষেক টি-২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনো ভারতীয় ব্যাটারের দ্বিতীয় দ্রুততম অর্ধশতরান করলেন। তবে সবচেয়ে বড় রেকর্ডটি হলো বিশ্বকাপের যেকোনো নকআউট ম্যাচে এটিই এখন দ্রুততম ফিফটি। অভিষেকের এই ইনিংসের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর দিক হলো, তিনি ভেঙে দিয়েছেন তাঁরই মেন্টর কিংবদন্তি যুবরাজ সিংয়ের দীর্ঘদিনের রেকর্ড। ২০০৭ সালের প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে যুবরাজ ২০ বলে অর্ধশতরান করেছিলেন। গুরুকে ছাপিয়ে এবার মাত্র ১৮ বলে ফিফটি পূর্ণ করলেন শিষ্য অভিষেক। পুরো ইনিংসে তিনি ৬টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকিয়ে কিউই বোলারদের ওপর শুরু থেকেই চড়াও হন। তাঁর আগ্রাসী ব্যাটিং ভারতকে এক বিশাল স্কোরের ভিত গড়ে দেয়। চলতি বিশ্বকাপে অভিষেকের ফর্ম নিয়ে কম কাটাছেঁড়া হয়নি। বিশ্বের এক নম্বর টি-২০ ব্যাটার হওয়া সত্ত্বেও আগের সাত ইনিংসে তাঁর সংগ্রহ ছিল মাত্র ৮৯ রান। সুনীল গাভাসকর ও সঞ্জয় মাঞ্জরেকরের মতো প্রাক্তন ক্রিকেটাররা সরাসরি তাঁর দলে থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কঠিন সময়ে তাঁর ওপর আস্থা হারাননি কোচ গৌতম গম্ভীর ও টিম ম্যানেজমেন্ট। ফাইনালের মতো বড় মঞ্চে জ্বলে উঠে অভিষেক প্রমাণ করে দিলেন কেন তাঁকে আগামীর সুপারস্টার বলা হয়। অভিষেক শর্মার তাণ্ডব এবং অন্য প্রান্তে সঞ্জু স্যামসনের মারকুটে মেজাজে পাওয়ারপ্লেতেই ম্যাচ পকেটে পুরে নেয় ভারত। প্রথম ৬ ওভারে ভারত তোলে ৯২ রান, যা টি-২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে পাওয়ারপ্লেতে সর্বোচ্চ স্কোর। এক সময় যাঁর ফর্ম নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে ছিল, সেই অভিষেক শর্মাই আজ প্রমাণ করলেন, বড় ক্রিকেটাররা সবসময় বড় মঞ্চেই নিজেদের জাত চেনান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles