চুপিসাড়ে করায়ত্ত ‘কত্তা’ পদ দখলদারি। ঠাহর করার জো নেই। ক্রিকেট না খেলেও কর্তাবাবু কত্তা সেজে কাটিয়েই দিলেন বছরের পর বছর। ডাবল ইঞ্জিন সরকার সম্পর্কে ইদানিং সকলেই ওয়াকিবহাল। তবে ‘ডাবল নামধারী’ কমিটির পদ দখল করে থাকেন সচরাচর পরিলক্ষিত হয় না। আইপিএল চলছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট লিগের মাঝেও সিএবির ভোটের গন্ধ ছড়িয়েছে। ধোঁয়াশাও রয়েছে। একাধিক বিষয়। জনা কয়েক সদস্যের আপত্তি সত্ত্বেও অধিষ্ঠিত জনৈক ডাবল নামধারী কমিটি মেম্বার। আবার জন্মতারিখও দুই। সবই ডাবল ডাবল। আচ্ছা, কোনও মানুষ দুবার জন্মাতে পারেন? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অ্যাপেক্স কাউন্সিলের জনা কয়েক সদস্যের ঘোর আপত্তি বিষয়টা নিয়ে। প্যান কার্ডে বয়স ৬৭ বছর দেখালেও ভোটার কার্ড বলছে ৬৯ বছর। রেকর্ডের খাতায় নামও দুই। একই ভাবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গলের কর্তা বলেই বসলেন নামটা। সিএবিতে একাধীক নাম ব্যাবহারকারী ব্যাক্তির নাম অনু দত্ত বলে জানা গেল। এই অনু দত্তই নাকি আবার নীতীশ রঞ্জন দত্ত নাম ব্যাবহার করেছেন বলে অভিযোগ।
সিএবি নির্বাচন নিয়ে অন্দরমহলে চুপিসাড়ে চলছে দলগঠন বলে ময়দানি কানাঘুঁষো। পক্ষপাতিত্ব ও দলমত তে সব নির্বাচনেরই প্রধান অঙ্গ। নির্বাচনের দিন হয়তো মাস ছয়েকের মধ্যেই। সিএবির অ্যাপেক্স কমিটি ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নজরে থাকে সিএবির নির্বাচন। বাংলার ক্রিকেট সংস্থার সদর দফতরেও নির্বাচনের ঢাকে কাঠি মৃদু ভাবে হলেও পড়তে শুরু করেছে। প্রত্যাশা অনেকের অনেক কিছুই! সিএবি নির্বাচনের লড়াই দামামা বাজার আগেও অন্দরমহলে ডাবল নামধারী ব্যাক্তিকে নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে চমকে দেওয়ার মতো ঘটনাও বলে উল্লেখ করছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সদস্যরা। একজন বেক্তির জোড়া নাম ও জোড়া জন্মতারিখে বিভ্রান্ত ক্রিকেট মহল। সিএবির বেশ কিছু সদস্যদের দাবি, ক্রিকেটারদের বয়স ভাঁড়িয়ে খেলার দোষটা কোথায়। যে ক্রিকেটার বয়স ভাঁড়িয়ে খেলছেন তাহলে তাঁরও দুটো জন্ম তারিখ। খোদ কর্তাই যদি এই নিয়মে ভাঁড়ামি করতে পারেন, তবে আগামী প্রজন্মের ক্রিকেটাররা কী শিখবেন?
সিএবি নির্বাচনের অনেক আগেই চমকে দেওয়ার মতো খবর। শেষমেশ সিএবি-তে কর্তার বয়স ভাঁড়ানো নায়ে শোরগোল পড়ে গেছে। সিএবি-র বাকি পদাধিকারীরা বেশ ক্ষুব্ধ বলে অভিযোগ। মনে মনে এতদিন বিষয়টি নিয়ে কোনওরকম উচ্চবাচ্য না করলেও আপাতত বিষয়টি হাল্কাভাবে দেখছেন না অনেক কর্তা বলে তীব্র অভিযোগ। নিজের নাম না প্রকাশ করতে চাইলেও সরাসরি অভিযোগের মাধ্যমে জানিয়ে দেন মনের কথা। একই বেক্তি দুই নাম নিয়ে দ্বৈত ভুমিকাও পালন করেন বসেন বলে অভিযোগ।
ক্ষমতার লোভ। সৃষ্টি করলেন নয়া নজির। বাংলা ক্রিকেটে নাম ও বয়স ভাঁড়িয়ে পদ দখলের বিস্তর অভিযোগ। ময়দানি ক্রিকেটে অথবা ছোট বড় ক্লাবগুলোর অন্দরমহলে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে অন্যতম আলোচ্য বিষয় পদাধিকারীর ডাবল নাম। সদস্যদের কাছে বিষয়টা বেশ ধোঁয়াশায় আবৃত। সমাধান চাইছেন বেশীরভাগ কর্তাই। নির্বাচনী আবহাওয়া বইছে মৃদুমন্দ। এরই মধ্যে সিএবির অন্দরমহলে মাথাচাড়া দিয়েছে একই ব্যাক্তির দুই নাম বিতর্ক। দু দুটি জন্মতারিখও নিয়েও আরও জোরালো বিতর্কের আবহ।